এবার ট্রাকে চলবে অটোপাইলটে

0

মার্সিডিজের হয়ে এই ট্রাকটি তৈরি করে দিয়েছে অটোমোবাইল কোম্পানি ডেইমলার। এই স্বয়ংচালিত ট্রাকটি অটোপাইলট সিস্টেম রয়েছে। ফলে বিমানের মতই এটির নিয়ন্ত্রণ অটোপাইলেটের হাতে দিয়ে জিরিয়ে নেয়া যাবে।

বৃহৎ আকারের ট্রাকে অটোপাইলট সিস্টেম চালু করার ঘটনা এই প্রথম ঘটলো। বর্তমানে ট্রাকটি জার্মানির মহাসড়গুলোতে দ্রুতবেগে ছুটে চলছে।

সড়কের সীমানা পেরিয়ে মহাসড়কে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে এই অসাধারণ স্বয়ংচালিত ট্রাকটির হাইওয়ে অটোপাইলট ম্যাসেজ ডিসপ্লেকে অন করে দেয়। এই অটো পাইলট ম্যাসেজ দিয়ে ট্রাক-চালককে জানিয়ে যে, অ্যাকট্রোস ট্রাকটির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রস্তুত।

স্ট্রিয়ারিং হুইলের একটি নির্দিষ্ট বাটন পুশ করলেই চালু হয় অটো পাইলট ফিচার। তখন ট্রাক চালানোর সব কাজ গিয়ে বর্তায় অটোপাইলটের হাতে।

এটির উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান দাবি করছে, তাদের এই অটো পাইলট বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য। কেননা, মানুষের চাইতেও বেশি দক্ষ চালক কম্পিউটার। যদিও একই ধরণের দাবি করে আসছিল গুগলের স্বয়ংচালিত গাড়ি। কিন্তু ডজন ডজন দুর্ঘটনার মুখে পড়ে সেই গাড়ি এখন সমালোচিত।

মার্সিডিজের স্বয়ংচালিত ট্রাকটিতে আছে রাডার এবং স্টেরিও ক্যামেরা। ফলে এটি মানুষের চাইতেও বেশি সতর্ক ও সজাগ।

অ্যাকট্রোসের প্রস্তুতকারক ডেইমলার জানায়, ইন্টারনেটের সাহায্য ছাড়াই এই অসাধারণ ট্রাকটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাক চালনায় পারদর্শী। কারণ ট্রাকের অনবোর্ডেই রয়েছে সব ধরনের সেন্সর। মহাসড়কের নিজস্ব লেইনকে সঠিকভাবে অনুসরণ করতে এই ট্রাকের তুলনা হয় না।

মহাসড়কে চলন্ত অবস্থায় সামনের যানবাহনগুলো দেখার জন্য রয়েছে ট্রাকের নিজস্ব ভার্চুয়াল চোখ। এতে করে ট্রাকটি অন্যান্য যানবাহনের গতিপ্রবাহকে সঠিকভাবে লক্ষ করে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। আপদকালীন সময়ে কষে ব্রেকও করতে পারে।

মহাসড়কে এই ট্রাকের নিয়ন্ত্রণ অ্যাকট্রোসের হাতে থাকলেও যে কোন সময় ট্রাক চালক চাইলেই এর নিয়ন্ত্রণ আবার নিজের কাছে নিতে পারবেন। কোন রকম ক্লান্তি ছাড়াই ট্রাফিক সিগনালে থামা এবং আবার ছুটে চলার কাজটি অ্যাকট্রোস অনায়াসেই করতে পারে।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন