ই-ক্যাব এখন পরিপুর্ন বানিজ্যিক সংগঠন: রাজীব আহমেদ

0

বাংলাদেশে ই-কমার্স সেক্টরকে উন্নয়নের লক্ষে কাজ করছে ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। সফলতার ধারাবাহিকতায় এর মধ্যেই ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের ২২২টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ক্যাবের সদস্য হয়েছে। ই-ক্যাব তার কার্যক্রম শুধু দেশেই সীমাবদ্ধ রাখতে চান না, বর্হিবিশ্বেও ছড়িয়ে দিতে চান।

দেশের একটি বানিজ্যিক সংগঠন হিসাবে পরিনত হওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে উদ্যোগ নিয়েছিল ই-ক্যাব। তারই ধারাবাহিকতায় সফলতাও এসেছে। ই-ক্যাবের জন্ম থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিভিন্ন অর্জন তুলে ধরেছেন সিনিয়র রিপোর্টার মাহাবুব মাসফিক।

ট্রেড লাইসেন্সে ই-কমার্স
ব্যবসা পরিচালনার অনুমোদন হিসাবে ট্রেড লাইসেন্সে ই-কমার্স খাতকে অন্তর্ভূক্তির জন্য কাজ করেছে ই-ক্যাব। ই-ক্যাব এর সভাপতি জনাব রাজিব আহমেদ এবং অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল হক এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকনের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে মেয়র ই-কমার্স খাতকে ট্রেড লাইসেন্সে অন্তর্ভূক্তির আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব তাঁর এ নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের অর্থনীতির চতুর্থ চালিকাশক্তি হবে ই-কমার্স: রাজিব আহমেদ

ই-ক্যাব মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট বিতরন
গত ১৯ সেপ্টেম্বর সংগঠনের সকল মেম্বারদের মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট বিতরণ করে ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) এর মিলনায়তনে এ সার্টিফিকেট বিতরণের আয়োজন করে তারা।

 

ই-কমার্স সহায়তায় ডাক বিভাগকে আমন্ত্রণ
সম্ভাবনাময় খাত হিসাবে বাংলাদেশে ই-কমার্সকে আরও উৎসাহিত করতে এবং সেবার মাধ্যমে ক্রেতার কাছে পন্য পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ ডাক বিভাগকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ই-ক্যাব। ডাক বিভাগের কয়েকজন উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে ই-কমার্স নিয়ে আলাপকালে তাদেরকে কাজ করার আগ্রহী করে তুলে সক্ষম হয়েছে ই-ক্যাব।

বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্স প্রাপ্তি
বানিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে লাইসেন্স পেয়েছে ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। এর মধ্যদিয়ে বাংলাদেশে ই-কমার্সের এক নতুন যুগ শুরু হয়। বাংলাদেশে ই-কমার্স দেরিতে শুরু হয়েছে এবং জনপ্রিয়তা লাভ করেছে কিন্তু এখনো এ সেক্টরে অনেক সমস্যা বিদ্যমান। সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাবে ই-ক্যাব।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সম্বর্ধনা
ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর কার্যনির্বাহী কমিটিকে সম্বর্ধনা প্রদান করে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)। গত ১০ আগস্ট বিসিএসের কার্যালয়ে এ সম্বর্ধনা প্রদান করে। অনুষ্ঠানে বিসিএস নেতৃবৃন্দ ই-ক্যাব নেতৃবৃন্দের সাথে বাংলাদেশের ই-কমার্স সেক্টরের বিভিন্ন বিষয়ে মত বিনিময় করে। ই-ক্যাব এর সাথে মিলিতভাবে ই-কমার্স সেক্টরের উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে বিসিএস।

আইএসপিএবি এর সম্বর্ধনা
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) এর কার্যনির্বাহী কমিটি ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের অভ্যর্থনা জানায়। নতুন সংগঠন হিসাবে তাদের এ সম্বর্ধনা আরও এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে বলে মনে করেন ই-ক্যাব সংশ্লিষ্ট সকলেই।

ই-ক্যাব মোবাইল অ্যাপ
ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর জন্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরী করে দিয়েছে তিতুমীর কলেজে ইংরেজিতে অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র জুয়েল রানা। এগিয়ে যাওয়ার পথ চলাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এটি।

এফবিসিসিআই এর সদস্যপদ লাভ
দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এর সদস্যপদ লাভ করেছে ই-ক্যাব। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সদস্য পদ লাভ করে আনন্দিত ই-ক্যাব সংশ্লিষ্ট সকলেই। সদস্যপদ পাওয়ায় এখন থেকে ই-ক্যাব তাদের সংগঠন পরিচালনায় এফবিসিসিআইয়ের সব ধরনের সহযোগিতা পাবে।

জন্ম থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিভিন্ন অর্জন নিয়ে আবেগী কন্ঠে ই-ক্যাব প্রেসিডেন্ট রাজিব আহমেদ টেকজুম ডটটিভি’কে বলেন, অনেক চড়াই-উৎড়াইয়ের পর ই-ক্যাব এখন সব দিক থেকে একটি পরিপুর্ন বানিজ্যিক সংগঠন। এটিই মনে হয় বাংলাদেশের একমাত্র বানিজ্যিক সংগঠন যে কিনা মেম্বার-নন মেম্বার সহ সেক্টরের সবার সাথে এতোটা সম্পৃক্ত। প্রায় একবছর ধরে চলা স্কাইপ আড্ডা, ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় ই-কমার্স আড্ডা, মেম্বারস মিট আপ, সেমিনার, ওয়ার্কশপ সহ অনবরত চলা বিভিন্ন ইভেন্ট ই-ক্যাবকে এতোটাই শক্তিশালী করেছে যে এটি বাংলাদেশের সবথেকে দ্রুত নিবন্ধন ও গড়ে উঠা সংগঠনে পরিনত হয়েছে।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন