বাংলাদেশে নেটওয়ার্ক সোসাইটি গড়বে এরিকসন

0

উন্নত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সহযোগিতায় ‘নেটওয়ার্ক সোসাইটি’ গড়ে তোলার ধারণা বাস্তবায়নে কাজ করছে এরিকসন। বাংলাদেশের তরুণদের তথ্য-প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে নিতে ও বিশ্বমানের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এই ‘নেটওয়ার্ক সোসাইটি’ কাজে লাগবে বলে আশা করছেন এরিকসনের কর্মকর্তারা।

নেটওয়ার্ক সোসাইটির ধারণা নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ টেলিকমিউনিকেশন (সিটিও) ফোরামে অংশ নিয়েছে এরিকসন বাংলাদেশ। ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছেন এরিকসনের কর্মকর্তারা।

এরিকসনের বিজনেস ইউনিট সাপোর্ট সলিউশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ভিকলন্ড বলেন, ‘সিটিও ফোরামে অংশ নিয়ে সম্মানিত বোধ করছি। নেটওয়ার্ক সোসাইটি গড়ে তুলতে এবারের সিটিও ফোরামে অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই নেটওয়ার্ক সোসাইটি গড়ে তুলতে পারলে বিশ্বমানের অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা সম্ভব হবে।’

ইমানুয়েল ভিকলন্ড আরও বলেন, ‘নেটওয়ার্ক সোসাইটিতে সংযোগই হবে উদ্ভাবন, সহযোগিতা এবং সামাজিককরণের নতুন মাধ্যম। এটি ক্ষমতায়ন, শিল্প এবং সমাজকে এগিয়ে নিতে যেমন ভূমিকা রাখে, তেমনি পৃথিবীর বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করে। এই নেটওয়ার্ক সোসাইটি হচ্ছে সহযোগিতা শেয়ার এবং সবকিছুতে অবগত থাকার এক নতুন মাধ্যম।’

২০২০ সালের মধ্যে নেটওয়ার্ক সোসাইটি লাখো মানুষের অর্থনৈতিক, সামাজিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নিয়ে আসবে। বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তির সাহায্যে দক্ষ তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নিয়ে নেটওয়ার্ক সোসাইটিতে বড় ভূমিকা রাখতে বলে আশা প্রকাশ করেন ভিকলন্ড।

এরিকসন বাংলাদেশ লিমিটেড ভাইস প্রেসিডেন্ট আল বাতুনি সৈয়দ আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের যোগাযোগ ক্ষেত্রের বাজার বিবেচনায় ভয়েস ও ডাটা ব্যবহার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। আগামী ৪-৫ বছর সময়ের মধ্যে আড়াই কোটি অতিরিক্ত গ্রাহক বৃদ্ধি পাবে এবং আইসিটি শিল্পের সুবিধার্থে এরিকসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’

প্রসঙ্গত, যোগাযোগ প্রযুক্তি ও সেবায় বিশ্বখ্যাত এরিকসন নেটওয়ার্কিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে ২৫০ কোটি সাবস্ক্রাইবার সংযোগে নেটওয়ার্ক দিতে সহায়তা করে এরিকসন নেটওয়ার্ক। ১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এরিকসনের বর্তমানে সুইডেনের স্টকহোমে প্রধান কার্যালয় রয়েছে।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন