চাঁদাবাজির কারনে রবি সেবা থেকে বঞ্চিত গ্রাহক

0

পার্বত্য চট্টগ্রামে এর আগেও বহুবার বিভিন্ন মোবাইল ফোন অপারেটর চাঁদাবাজির কবলে পড়েছে। এমন কি কর্মীদের অনেকে অপহরণের শিকারও হতে হয়েছে। তবে এবার চাঁদাবাজির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে রবি সেবা।

খাগড়াছড়িতে একটি স্থানীয় সংগঠনের চাঁদাবাজির কারণে গ্রাহক সেরা তৃতীয় অপারেটর রবির সব ধরণের সেবা বন্ধ হয়ে গেছে। এ নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে অপারেটরটি।

কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম রবির মূল শক্তি। তাদের ব্যবসার অন্তত ৪০ শতাংশ আসে এ এলাকা থেকে। ফলে যে কোনো ভাবেই তারা এর সমাধান করতে চান বলে জানান।

চাঁদাবাজির কারণে বিভিন্ন সেবা বন্ধ থাকার বিষয়টি কয়েক দিন চেপে রাখলেও শেষ পর্যন্ত ফাঁস হয়ে যাওয়ায় রবির কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরণের অস্বস্তিতে পড়েছেন।

রবি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, খাগড়াছড়ির ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছ থেকে বড় অংকের চাঁদা ছাড়াও নতুন বিটিএস স্থাপনের জন্য অন্তত অর্ধ কোটি টাকা দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় উগ্রবাদী এ সংগঠনগুলো প্রতিটি নতুন বিটিএস স্থাপনের জন্য পাঁচ লাখ টাকা করে দাবি করেছে।

জানা গেছে, অপারেটরটি খাগড়াছড়ি এবং রাঙ্গামাটির কয়েকটি উপজেলায় আরও ডজনখানেক বিটিএস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকে নতুন এ বিপত্তির শুরু হয়।

একটি আঞ্চলিক সংগঠনের এ চাঁদা দাবির প্রেক্ষিত্রে এক সপ্তাহ ধরে রিচার্জ থেকে শুরু করে সব ধরণের কার্যক্রম বন্ধ করে রেখেছে রবির রিটেইলাররা। ফলে বিপাকে পড়েছেন এ এলাকার ররি গ্রাহকরা।

সূত্র বলছে, চাঁদার কারণে অপহরণের হুমকির মধ্যে রয়েছেন অপারেটরটির দীঘিনালা, পানছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলায় রিটেইলার এবং ডিস্ট্রিবিউটররা।

২০০৮ সালে তিন পার্বত্য জেলায় মোবাইল নেটওয়ার্ক চালুর পর থেকে চাঁদার দাবিতে একাধিকবার মোবাইল অপারেটরের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অপহরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ গত বছরের জুলাই মাসে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বারিবিন্দুঘাট এলাকা থেকে টেলিটকের পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অপহরণ করা হয়। অবশ্য ১৮ দিন পর তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন