ফের গঠনতন্ত্র সংশোধন করছে বেসিস

0

‘ওয়ান বাংলাদেশ’ রূপকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে অগ্রযাত্রার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে ফের নিজেদের গঠনতন্ত্র সংশোধন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিস (বেসিস)।

নির্বাহী পরিচালকের সাংবিধানিক ক্ষমতা বাড়াতে তিনটি পদ অবলুপ্ত করার পাশাপাশি কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় কামানো ও মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে সাবেক সভাপতিদের নিয়ে গঠন করা হচ্ছে প্রেসিডেনশিয়াল ফোরাম।

২০ ডিসেম্বর বিশেষ সাধারণ সভায় এসব সংশোধনী পাস হলে ২০১৭ সালের নির্বাচন থেকে মেয়াদ কার্যকর হবে বলে নতুন বার্তা ডটকমকে জানিয়েছেন বেসিসের কোষাধক্ষ শাহ ইমরাউল কায়ীশ।

কায়ীশ বলেন, গঠনতন্ত্রের এই সংশোধন ইজিএমে পাস হলে ডিটিও থেকে অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। এ পরিবর্তন সংগঠনকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, নতুন সংশোধনীতে কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন হবে প্রতি এক বছর পর পর। তবে কমিটির মেয়াদ থাকবে তিন বছর। প্রতি বছর নির্বাচিত কমিটি থেকে তিনজন ডিরেক্টর সমঝোতা বা লটারির মাধ্যমে পদত্যাগ করবেন। আর নির্বাচন হবে এই তিনটি পদেই।

গঠনতন্ত্র সংশোধনী প্রস্তাবে সিগনেটরি ক্ষমতা দেয়ার পাশাপাশি বেসিসের নির্বাহী পরিচালককে (ইডি) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য করা হলেও তিনি সাধারণ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় ভোটাধিকার পাচ্ছেন না।

প্রস্তাবিত সংশোধনীতে সিগনেটরি ক্ষমতা থাকছে প্রেসিডেন্ট, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ইডির। এর মধ্যে যেকোনো দুজনের স্বাক্ষরেই আর্থিক প্রস্তাব পাস করা যাবে।

ইডিকে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অধিকতর ক্ষমতা দেয়ায় সমান্তরাল ক্ষমতায় থাকা মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিব ও ট্রেজারার পদগুলো বিলুপ্ত করা হচ্ছে। অন্যদিকে বাড়ানো হচ্ছে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ।

ইডি যোগ হওয়ায় নতুন সংশোধন অনুযায়ী কার্যনির্বাহী ১০টি পদের ক্রম হবে্- সভাপতি, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, দুজন ভাইস প্রেসিডেন্ট, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও পাঁচজন ডিরেক্টর।

এ ছাড়া বিদ্যমান এক্স প্রেসিডেন্ট ফোরামের বর্তমান সদস্যসংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে, যা বর্তমানে পাঁচ। সব সাবেক প্রেসিডেন্টকে নিয়ে গঠিত হবে প্রেসিডেনশিয়াল ফোরাম।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন