পরমাণু বিদ্যুতের অভিনব মডেল উদ্ভাবন

0

পারমানবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের অভিনব মডেল উদ্ভাবন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরমাণু প্রকৌশল বিভাগ।

নতুন এই উদ্ভাবনের স্বীকৃতি স্বরূপ বৃহস্পতিবার নতুন কৌশল উদ্ভাবনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পরমাণু প্রকৌশল বিভাগকে সম্মাননা দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

নতুন এই মডেলে বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপন করা হলে পারমাণবিক বিক্রিয়াজনিত ঝুঁকি দূর হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরমাণু প্রকৌশল (নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম।

তিনি জানন, নতুন কৌশল প্রয়োগ করে পারমাণবিক বিদ্যুত্ প্লান্ট নির্মিত হলে কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার ও ঝুঁকিমুক্ত হবে। ২৫০০ মেট্রিক টন কয়লা পুড়িয়ে যে পরিমাণ তাপশক্তি পাওয়া যায় তা মাত্র এক কেজি ‘ইউ-২৩৫ নিউক্লিয়াসের’ একীভবন (ফিউশন) ও বিক্রিয়া থেকে পাওয়া সম্ভব হবে।

জানা গেছে, প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২২০০মিটার গতিসম্পন্ন তাপীয় নিউট্রন দিয়ে ইউ-২৩৫ নিউক্লিয়াসকে আঘাত করলে এই মডেলে প্রায় সমান ভর বিশিষ্ট দুটি নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয়ে যায় এবং দুই/তিনটি মুক্ত নিউট্রন তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ায় উত্পন্ন দুটি নিউক্লিয়াস ও মুক্ত নিউট্রনগুলোর মোট ভর, বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী নিউট্রন ইউ-২৩৫ নিউক্লিয়াসের মোট ভর অপেক্ষা কিছুটা কম হয়। ফলে প্রতিটি ফিউশনে প্রায় ২০০ এমইভি (মেগা ইলেক্ট্রনিক ভল্ট) তাপশক্তি উত্পন্ন হয়।

অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অপর এক শিক্ষক এবং চার শিক্ষার্থী যৌথভাবে নতুন কৌশল বিশিষ্ট পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মডেলটি উদ্ভাবন করেছেন।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন