পর্দা নামল আইসিটি এক্সপো ২০১৭ এর

0

মেক ইন বাংলাদেশ স্লোগানে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া তিন দিনের তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো ২০১৭’ পর্দা নামল শুক্রবার। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) যৌথ উদ্যোগে এবার অনুষ্ঠিত হল তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য ও সেবার বর্ণাঢ্য এ প্রদর্শনী।

যেসব অধুনা প্রযুক্তি ও ধারণা তথ্যপ্রযুক্তির প্রকৃতি ও ব্যবহার অবিশ্বাস্য গতিতে বদলে দিচ্ছে সেসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কতটুকু এগিয়েছে, আমাদের সক্ষমতা ও উদ্ভাবন উপস্থাপন করা হয় এবারের প্রদর্শনীতে। বিশেষ করে হার্ডওয়ার, ম্যানুফ্যাকচারিং ও গবেষণা খাতের সম্ভাবনা, কর্মপ্রচেষ্টা ও রূপকল্প তুলে ধরা হয় এবারের মেলায়। উপস্থাপন করা হয় হাই-টেক পার্ক এবং তথ্যপ্রযুক্তির উৎপাদন অবকাঠামোর অগ্রগতিও। জনসচেতনতা সৃষ্টি, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যবান্ধব পরিবেশ তৈরি, তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ ও উদ্যোক্তা তৈরি করতে প্রদর্শনী সফল হয়েছে।

প্রদর্শনীর গোল্ড স্পন্সর প্রযুক্তি ব্র্যান্ড এইচপি, টিপিলিংক। সিলভার স্পন্সর হিসেবে আছে ডাহুয়া টেকনোলজি, সামিট টেকনোপলিস লি. এবং ওয়ালটন। প্রদর্শনীতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শতাধিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অংশ নেয়। এতে তথ্যপ্রযুক্তির নতুন সব পণ্য, সেবা, জীবনশৈলী ও ধারণা উপস্থাপন করা হয়েছে। নানা ছাড় ও উপহারে বিক্রি হচ্ছে প্রযুক্তিপণ্য।

মেলার আহ্বায়ক বিসিএসের মহাসচিব ইঞ্জি. সুব্রত সরকার বলেন, হার্ডওয়্যার খাতে বাংলাদেশের এ সকল সাফল্য ও অগ্রগতি দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে দিতে এবং এ খাতে আরও এগিয়ে যেতেই আমরা ‘বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো ২০১৭’ আয়োজন করছি। পুরো প্রদর্শনীকে লোকাল ম্যানুফ্যাকচারাস, আইওটি ও ক্লাউড, প্রোডাক্ট শোকেস, ইনোভেশন, মিট উইথ ইন্টারন্যাশনাল ম্যানুফ্যাকচারারস, ডিজিটাল লাইফস্টাইল, মেগা সেলস, সেমিনার, বিটুবি ম্যাচমেকিং ও হাই-টেক পার্ক- এ রকম ১০টি জোনে ভাগ করা হয়। ১৩২টি প্যাভিলিয়ন ও স্টলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রকল্প, কর্মসূচি এবং উদ্যোগগুলো উপস্থাপন করা হয়। মেলায় দর্শকদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

মেক ইন বাংলাদেশ স্লোগানে শুরু হওয়া প্রর্দশনীর উদ্দেশ্য উল্লেখ করে আইসিটি এক্সপো ২০১৭ এর আহ্বায়ক ও বিসিএস মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার ‘যে উদ্দেশ্যে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল তার অনেকটাই সফল হয়েছে। দেশীয় উদ্ভাবন ও বিভিন্ন হার্ডওয়্যার নিয়ে তরুণদের ধারণা দিতে চেয়েছি আমরা।সব মিলিয়ে আমরা অত্যন্ত সফল একটি আয়োজন সম্পন্ন করেছি। এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখব।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন