বিশ্বজুড়ে পালিত হলো কোডিং ঘণ্টা

0

কোডিংই হবে আগামী দুনিয়ায় যন্ত্র ও মানবের সেতুবন্ধ। তাই আগামী প্রজন্মকে কোডিংয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে বিশ্বজুড়ে পালিত হলো কোডিং ঘণ্টা।

বিশ্বের ১৮০টি দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হয়েছে কোডিং ঘণ্টা। ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া ৭৭ হাজার ৪১১ ঘণ্টার এই আয়োজন শেস হলো রোববার। বিশ্বজুড়ে ঘণ্টাব্যপী কোডিং পাঠ নিয়েছে কোটি শিক্ষার্থী।

লেটস লার্ন কোডিং কমিউনিটির উদ্যোগে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই কোডিং ঘণ্টার সমাপনী দিনে অংশ নেন স্ট্যানফোর্ড, ইউডা, ইউআইইউ ও আইইউবিএটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

কোডিং ঘণ্টার পরিচিতি পর্বে লেটস লার্ন কোডিং প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মাদ সুমন মোল্যা সেলিম বলেন, বর্তমানে চাকরির বাজারের শতকরা ৬০ ভাগ ক্ষেত্রেই কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের চাহিদা রয়েছে। অথচ এর মাত্র ২ শতাংশ শিক্ষার্থী এই বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। এর মধ্যে মেয়েদের সংখ্যা ১২ শতাংশ।

তিনি আরও জানান, গড়ে ১০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে নয়টিতেই এখনো তাদের পাঠ্যক্রমে কম্পিউটার বিজ্ঞান অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি অথবা শিক্ষা দেয়া হয় না।

অন্যান্যের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক অনলাইন পোর্টাল হাইফাই পাবলিকের সহসম্পাদক কুতুব উদ্দিন কামাল, জাতীয় হ্যাকাথনে বিজয়ী ‘দুর্নীতি বিরোধী অ্যাপ’ নির্মাতা এআরসি দলের সদস্য জাহিদ হোসেন ও ফয়সাল আহমেদ এবং ইউআইইউ, সিএসই এবং সিটিই ক্লাব প্রেসিডেন্ট শামীম শুভ্র প্রমুখ বক্তব্য দেন।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন