‘ডেটিং অ্যাপে’ কি আসলেই জীবন সঙ্গি বা সঙ্গিনী খুঁজে পাওয়া যায়?

0

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকজুম ডটটিভি// পাশে প্রিয়মানুষ নেই তো কি হয়েছে? হাতে স্মার্টফোন আছে তো! তাহলে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে উঠে বসুন এখনই। ফোনে ইনস্টল করে নিন একটি ডেটিং অ্যাপ।এরপর আপনাকে কোনো কষ্ট করতে হবে না। অ্যাপ’ই খুঁজে দেবে আপনার জন্য উপযুক্ত ভালোবাসার মানুষ। ডেটিং অ্যাপ বা সাইটগুলোর বিজ্ঞাপন বলা যায় এমনই। কিন্তু বাস্তবে টিন্ডার বা ওকে কিউপিডের মতো ম্যাচমেকিং ওয়েবসাইট বা ডেটিং অ্যাপের কার্যকারিতা কতটুকু? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থা ভারতে একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। সেই সমীক্ষায় উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র।

রূঢ় সত্য…
প্রতিশ্রুতি থাকে অনেক রকমের, সেইমতো গড়ে ওঠে প্রত্যাশাও। অনেকেই মনে করেন, এইসব অ্যাপ মোবাইলে ইনস্টল করা থাকলে স্বপ্নের জীবনসঙ্গী বা সঙ্গিনীকে খুঁজে পাওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু বাস্তবে টিন্ডার বা ওকে কিউপিডের মতো ডেটিং অ্যাপের কার্যকারিতা কতটুকু? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থা ভারতের ৬১২টি যুগলকে নিয়ে একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। কী তথ্য উঠে এল সেই সমীক্ষা থেকে? আসুন জেনে নেওয়া যাক—

১. ডেটিং অ্যাপ যাদের মোবাইলে ইনস্টল করা থাকে তাঁদের অন্তত ৬০ শতাংশ মানুষ এই অ্যাপ খুলে দেখেন মাসে একবারেরও কম। এই ধরনের মানুষদের আপনি যতই মেসেজ পাঠান, তাঁদের কাছ থেকে উত্তর না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

২. মাত্র ২ শতাংশ প্রণয়যুগল তাঁদের সঙ্গি বা সঙ্গিনীকে খুঁজে পেয়েছেন ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে।

৩. প্রায় ৭৮ শতাংশ মানুষ এই অ্যাপ ইনস্টল করার ১ মাসের মধ্যে হতাশার চোটে মোবাইল থেকে অ্যাপটি আনইনস্টল করে দেন।

৪. প্রায় ৭৬ শতাংশ মহিলা এইসব অ্যাপে অশোভন প্রস্তাব পেয়ে থাকেন।

৫. মাত্র ০.৫ শতাংশ যুগলের ক্ষেত্রে এই অ্যাপের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সম্পর্ক তিন মাসের বেশি স্থায়ী হয়।
এ সব জানার পরে নিজেরা‌ই বিচার করুন, ডেটিং অ্যাপের পথ চেয়ে জীবনে প্রেমিক বা প্রেমিকার আগমনের অপেক্ষা করবেন কি না।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন