কখন কি করবেন স্মরণ করিয়ে দেবে অ্যাপ

0

টেকজুম ডটটিভি ডেস্ক// অফিস থেকে ফেরার পথে প্রয়োজনীয় কিছু কিনতে হবে, কিংবা প্রতি ঘণ্টায় নিয়ম করে পানি খেতে হবে, সবকিছুই মনে করিয়ে দেবে এই অ্যাপ। বি-জেড অ্যাপের সুবিধা হল, দিন-সময়ের ভিত্তিতে অ্যাপের মধ্যেই বিভিন্ন অপশন ভাগ করে দেওয়া আছে। আপনি যে বিষয়ে রিমাইন্ডার সেট করতে চান, সেটা সিলেক্ট করে কনফার্ম করে দিলেই নির্দিষ্ট সময়ে অ্যাপই আপনাকে ভয়েস মেসেজের মাধ্যমে মনে করিয়ে দেবে। অ্যাপে রয়েছে সারাদিনে কী কী কাজ করতে হবে, তার লিস্ট। সকালেই ঠিক করে নিন। নির্দিষ্ট সময়ে অ্যাপই রিমাইন্ডার দিয়ে দেবে।.

এভারনোট
রিমাইন্ডার অ্যাপের চেয়ে, নোট-অ্যাপ হিসেবেই এভারনোটের জনপ্রিয়তা বেশি। নোট নেওয়ার সুবিধার কারণেই অনেকে এই অ্যাপ ব্যবহার করতে ভালবাসেন। এভারনোট তৈরির সময় নির্মাতারা চেয়েছিলেন এমন কোনো একটা অ্যাপ তৈরি করতে, যেখানে সহজেই কেউ কোনো কিছু নোট করে নিতে পারবেন। পরে অ্যাপের ফিচারের সঙ্গে যুক্ত হয় রিমাইন্ডার দেওয়ার অপশন। যাই হোক! তবে এই অ্যাপের সমস্যাও রয়েছে। এভারনোট ডাউনলোড করতে গেলে আপনাকে পকেট থেকে খসাতে হবে মোটা অঙ্কের টাকা। একবার ডাউনলোড-ফি মিটিয়ে দিলে এক বছরের সাবস্ক্রিপশন পেয়ে যাবেন আপনি। তারপর যতখুশি ব্যবহার করুন।

এনি.ডু
সোজা কথায়, এক ঢিলে তিন পাখি মারতে পারবেন এই অ্যাপ ফোনে ইনস্টল করলে। কোনো কিছু রিমাইন্ডার হিসেবে সেট তো করতে পারবেনই, সঙ্গে আপনার ফোনে যাদের নম্বর সেভ করা রয়েছে তাদের সঙ্গে চ্যাটও করতে পারবেন এই অ্যাপের মাধ্যমে। এছাড়াও পারিবারিক কোনো অনুষ্ঠানে বন্ধুদের ই-ইনভিটেশনও পাঠাতে পারবেন এই অ্যাপের মাধ্যমে। একসঙ্গে অনেক সুবিধার কারণেই এনি.ডু অ্যাপ তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয়। ব্লু-টুথ চালু করে এই অ্যাপের মাধ্যমে যেকোনো দু’টি ইলেকট্রনিক ডিভাইস সিঙ্কও করে নিতে পারবেন। ব্যবহার করা বেশ সহজ, তাই যেকোনো বয়সের মানুষ অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবেন এই অ্যাপ।

জাস্ট রিমাইন্ডার
ফিচার্সের দিক থেকে আর পাঁচটা রিমাইন্ডার অ্যাপের চেয়ে এই অ্যাপের খুব একটা পার্থক্য রয়েছে, তা নয়! তবে একটা বিষয়ে অ্যাপ বাজারের অন্য অ্যাপগুলোকে গুনে গুনে দশ গোল দিতে পারে জাস্ট রিমাইন্ডার। আর সেটা হল নিরাপত্তা। অ্যাপে পাসওয়ার্ড সেট করে নিতে পারবেন। ফলে অ্যাপে কী কী বিষয়ে রিমাইন্ডার সেট করেছেন, সেটা আপনি ছাড়া আর কারো পক্ষে জানা সম্ভব হবে না। তাছাড়াও জাস্ট রিমাইন্ডারের ইন্টারফেস এবং বিভিন্ন ধরনের থিম সেট করার অপশনও এই অ্যাপের জনপ্রিয়তা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে।

গুগ্‌ল কিপ
বাজারে উপলব্ধ হাজারো রিমাইন্ডার অ্যাপের মধ্যে সবচেয়ে কার্যকরী সম্ভবত এটাই। অ্যাপ বিশারদরা এমনটাই মনে করেন। যেহেতু এটা গুগ্‌লের নিজস্ব অ্যাপ, তাই গুগ্‌ল ম্যাপে বা গুগ্‌ল ইমেজে থাকা যে কোনও ছবি আপনি সহজেই সিলেক্ট করতে পারবেন। সঙ্গে সেই ছবি বা ম্যাপের উপর পয়েন্টিংও করতে পারবেন। পুরো ব্যাপারটাই হবে স্মার্টফোনের স্ক্রিনে আপনার আঙুলের আলতো ছোঁয়ায়। পাশাপাশি, চাইলে আপনার নেওয়া নোটগুলো রিমাইন্ডার হিসেবেও সেট করে নিতে পারবেন। অ্যাপের ইন্টারফেসও নিজের ইচ্ছে মতো বদল করে নিতে পারবেন।

সুত্র: ইন্টারনেট

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন