ইথিক্যাল হ্যাকারদের হয়রানি না করার আহ্বান

0

সাইবার ওয়ার্ল্ডে দুই ধরনের হ্যাকার রয়েছে। একদল হ্যাকার ভালো কাজে তাদের হ্যাকিং নলেজ ব্যবহার করেন। অন্য একটি দল ইন্টারনেটে চৌর্যবৃত্তির কাজে হ্যাকিং করে থাকেন। এরা অনলাইনে ব্যক্তিগত সম্পত্তি জিম্মি করে অর্থ আত্মসাৎ করেন।

যারা সবার মঙ্গলের জন্য হ্যাংকিং নলেজকে কাজে লাগান তাদের বলা হয় ইথিক্যাল হ্যাকার। এই ইথিক্যাল হ্যাকারদের হয়রানি না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন সিটিও ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকার।

শুক্রবার ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের তৃতীয় দিন সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘সাইবার সিকিউরিটি ফর পলিসি সার্ভিস’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এই আহ্বান জানান।

তপন কান্তি বলেন, সারা পৃথিবীতেই ইথিক্যাল হ্যাকাররা তাদের অর্জিত জ্ঞান ভালো কাজে ব্যয় করছেন। কোনো কোনো দেশে এদেরকে মোটা অংকের বেতন দিয়ে একাজে উৎসাহিত করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। তাই তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই আমি সরকারের পুলিশ বাহিনীকে বাহিনীকে বলবো এদেরকে হয়রানি না করার জন্য।

সেমিনারে উপস্থিত ঢাকা মেট্রোপলিট্যান পুলিশের ডিজি হারুনুর রশীদ বলেন, ‘বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে গেছে। আমাদের দেশে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটে ডাটা ব্যবহারে পৃথিবীর অন্যান্য দেশ থেকে এগিয়ে রয়েছে। এই অগ্রগতির কিছুটা অসুবিধাও রয়েছে। যেমন একদল হ্যাকারের কারণে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত থাকছে না। তাই পুলিশ বাহিনীও চেষ্টা করছে হ্যাকারদের জালিয়াতে ঠেকাতে। এজন্য পুলিশও হ্যাকিং সম্পর্কে ধারণা নিতে চেষ্টা করছে।’

হারুনুর রশীদ আরও বলেন, ‘পুলিশ অনেক সময় ইথিক্যাল হ্যাকারদের সম্পর্কে না জেনে-বুঝে তাদের আইনের আওতায় আনছে। আমরা চেষ্টা করবো ইথিক্যাল হ্যাকাদের যেনো হয়রানির শিকার হতে না হয় সে সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থান নিতে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্পের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থাপক মো. আরফি এলাহী সঞ্চালনায় সেমিনারে বক্তব্য দেন ড্যাফোডিল আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. তৌহিদ ভূইয়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার দেবদুলাল রায়, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলোন লিমিটেডের হেড অব আইটি ড. ইজাজুল হক।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন