ই-কমার্স খাতকে নিরুৎসাহিত করা হলো: শামীম আহসান

5

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকজুম ডটটিভি// অনলাইনে বেচাকেনা বা ই-কমার্সে চার শতাংশ মূল্য সংযোজন কর ভ্যাট আরোপের ফলে ই-কমার্স খাতকে নিরুৎসাহিত করা হলো বলে মন্তব্য করেছেন বেসিস সভাপতি এবং এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক শামীম আহসান।

শামীম আহসান বলেন, ই-কমার্স ভ্যাট শূণ্য করার দাবি ছিলো আমাদের। এখন এ খাতে সুনির্দিষ্ট করে ভ্যাট বসানোটা ই-কমার্স খাতের জন্য ভাবনার বিষয়। মূলত ভ্যাট আরোপের ফলে ই-কমার্স খাতকে নিরুৎসাহিত করা হলো। সাধারণ দোকান বা সুপার শপগুলো গড়ে এর থেকে আরো কম ভ্যাট দিয়ে থাকে। কিন্তু এখন সম্ভাবনাময় এই খাতের গতি ধীর হয়ে আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে বাজেটে প্রযুক্তি পণ্যে প্রদত্ত শুল্ক ও করের রেয়াতি সুবিধা অব্যাহত রাখা, তথ্য-প্রযুক্তিতে ব্যবহার্য ক্যামেরার শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের বিপরীতে প্রস্তাবিত বরাদ্দের মোট অঙ্ক ৩ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার সাধুবাদ জানান শামীম আহসান।

একই সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু সফটওয়্যার আমদানির উপর ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় সন্তোস প্রকাশ করেন তিনি।

এছাড়া দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে মোট ১৩ হাজার ৮৬১টি মিনি ল্যাপটপ বিতরণের পরিকল্পনা স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন তিনি।

উল্লেখ্য, অনলাইনে বেচাকেনা বা ই-কমার্সকে প্রথমবারের মতো সুনির্দিষ্ট করে ভ্যটের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অনলাইনে বেচাকেনার ওপর চার শতাংশ মূল্য সংযোজন কর প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় বলেন, অনলাইনে পণ্য এবং সেবার বিক্রয় বা সরবরাহ কার্যক্রম বর্তমানে একটি স্বীকৃত জনপ্রিয় ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বর্তমানে মূল্য সংযোজন কর অব্যাহতি না থাকলেও মূসক ব্যবস্থায় এই সেবা খাতের সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা বর্তমানে নেই। এ ধরনের কার্যক্রমকে মূসকের আওতায় সুনির্দিষ্ট করার লক্ষ্যে এর ব্যাখ্যা নির্ধারণসহ চার শতাংশ হারে মূসক আরোপের প্রস্তাব করছি।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন