৬ মাসে গ্রামীণফোনের রাজস্ব আয় ৫১১০ কোটি টাকা

0

দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন ২০১৪ সালের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আয় করেছে পাঁচ হাজার ১১০ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭.৮ শতাংশ বেশি।

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সেবা থেকে রাজস্ব বেড়েছে ৭.৫ শতাংশ এবং ডিভাইস ও অন্যান্য খাত থেকে আয় বেড়েছে ১৪.৩ শতাংশ।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয় গ্রাহকসংখ্যা বৃদ্ধি, ভয়েস, থ্রিজি ও টুজি ডাটা ব্যবহার, এসএমএস এবং কনটেন্ট সেবা থেকে রাজস্ব বৃদ্ধির কারণে এই প্রবৃদ্ধি এসেছে।

এ ছাড়া স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কল থেকে আন্তসংযোগ রাজস্ব বৃদ্ধি, ডিভাইস বিক্রয় বৃদ্ধি, হোলসেল এবং ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস খাতও প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০১৪-এর দ্বিতীয় প্রান্তিকে গ্রামীণফোন ছয় লাখ নতুন গ্রাহক সংগ্রহ করেছে, যার ফলে মোট গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার কোটি ৯২ লাখ এবং মার্কেট শেয়ার হয়েছে ৪২.১ শতাংশ। টেলিকমশিল্পের ১১.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় গ্রামীণফোনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ শতাংশ, ফলে কম্পানির নেতৃত্ব আরো সুদৃঢ় হয়েছে।

এই প্রান্তিকে রাজস্ব আয় হয়েছে দুই হাজার ৬২০ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ৯.৫ শতাংশ এবং গত প্রান্তিকের তুলনায় ৫.১ শতাংশ বেশি।

সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণফোনের সিইও বিবেক সুদ বলেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, গ্রামীণফোন আরেকটি সফল প্রান্তিক কাটাল, যার ফলে ২০১৪ সালের সাফল্যের একটি দৃঢ় ভিত্তি তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অধিকতর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং বাজারে গ্রামীণফোনের প্রতি আস্থা এই সাফল্যের পেছনে কাজ করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘গ্রামীণফোনের বোর্ড অব ডিরেক্টরস পরিশোধিত মূলধনের ৯৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর ফলে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য অধিকতর মূল্য সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি আরো দৃঢ় হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, আয়কর প্রদানের পর ২০১৩-এর প্রথমার্ধের ১০.৮ শতাংশ মার্জিনসহ ৫১০ কোটি টাকা মুনাফার তুলনায় গ্রামীণফোনের ২০১৪-এর একই সময়ে নিট মুনাফা হয়েছে ২০ শতাংশ মার্জিনসহ এক হাজার ৬০ কোটি টাকা। রাজস্ব বৃদ্ধি এবং দক্ষতা বৃদ্ধির ফলে পরিচলন ব্যয় স্থির থাকায় মার্জিন বেড়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, দেশের বৃহত্তম করদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রাামীণফোন ২০১২-এর প্রথমার্ধে কর, ভ্যাট, শুল্ক এবং লাইসেন্স ফি আকারে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে তিন হাজার ৪২০ কোটি টাকা জমা দিয়েছে।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন