ওয়াই-ফাই রাউটার নিরাপদ রাখার টিপস

0

বাসা কিংবা অফিসে এখব ব্যাপক হারে ব্যবহার হচ্ছে ওয়াইফাই রাউটার। তবে সচতেনতার অভাবে বা নিরাপত্তার সঠিক পদ্ধতি জানা না থাকার কারণে ওয়াই-ফাই রাউটারের নিরাপত্তার ক্ষতি হতে পারে।

রাউটারের নিরাপত্তার দিকটি বিভিন্ন কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এতে যেমন ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত হওয়ার আশংকা থাকে, তেমনি ডিভাইস ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

রাউটার নিরাপদ রাখার কয়েকটি কৌশল তুলে ধরা হলো এ টিউটোরিয়ালে ।

পাসওয়ার্ড পরিবর্তন
প্রথমেই রাউটারের প্রধান লগইন পাসওয়ার্ড এবং ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ডটি পরিবর্তন করতে হবে। সাধারণত ডিফল্ট পাসওয়ার্ড হিসেবে admin বা password দেওয়া থাকে অথবা অনেক রাউটারে প্রথমে কোনো পাসওয়ার্ড থাকে না। এমন ক্ষেত্রে OK বাটনে ক্লিক করলেই লগইন করতে হয়।

তাই রাউটার চালুর পর প্রথম কাজ এটির পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা। তবে সব সময় শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।

ডব্লিউপিএ-২ ব্যবহার
ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের নিরাপত্তার সেটআপের সময়ে ‘WPA-2’ পদ্ধতি অনুসরণ করে নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি কী বা পাসওয়ার্ড নির্ধারণ করুন। এটা পূর্বের ‘WEP’ এবং ‘WPA’ পদ্ধতির চেয়ে আধুনিক, যা নেটওয়র্কের জন্য অধিক নিরাপদ।

ম্যাক অ্যাড্রেস ফিল্টারিং
ম্যাক অ্যাড্রেস ফিল্টারিংয়ের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই রাউটারের সেটিং থেকে যে ডিভাইসগুলোতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা হবে তা নির্ধারণ করে দিতে হবে। তাহলে অনাকাঙ্ক্ষিত ডিভাইসটি রাউটার ব্যবহার করতে পারবে না। এতে আপনার ইন্টারনেটে অন্যের অনাহুত প্রবেশ ঠেকানো যাবে।

তবে নেটওয়ার্কের আকার বড় হলে বা বাণিজ্যিকভিত্তিতে কোনো কাজ করা হলে নিরাপত্তার স্বার্থে রেডিয়াস সার্ভার অপশনটি ব্যবহার করা উচিত।

এ কাজটি করতে ওয়্যারলেস রাউটার কনফিগার করতে হবে। এ জন্য রাউটারের ম্যাকফিল্টারিং এনাবল করে যে ডিভাইসগুলোকে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করতে চান সেগুলোর ম্যাক এড্রেস, লিস্টে আগের যোগ করে দিতে হবে।

এ ছাড়া রাউটারকে নিরাদ রাখতে নিচের তিনটি বিষয়ও মনে রাখতে হবে। ফায়ারওয়াল অন রাখতে হবে এবং ফার্মওয়্যার নিয়মিত আপডেট করতে হবে। ‘WAN’ অপশনটি প্রয়োজন না হলে বন্ধ রাখা উচিত।

একই সঙ্গে সব সময় নেটওয়ার্ক মনিটর করা উচিত। এসব নিরাপত্তার ফাঁক গলে কেউ অন্য কোনো ডিভাইস থেকে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করছে কি-না তা নিয়মিত যাচাই করা উচিত।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন