নিউজ ডেস্ক, টেকজুম ডটটিভি// অ্যান্ড্রয়েড ইলেকট্রিক ভেড়ার স্বপ্ন দেখে কিনা জানা নেই। তবে আধুনিক যুগের প্রতিটি শিশুই যে রোবটের স্বপ্ন দেখে তা পরিষ্কারভাবে বলা যায়। আধুনিক যুগে শিশু মনের কল্পনার রোবট প্রায় চলে এসেছে। সেইসঙ্গে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) মাধ্যমে গোটা বিশ্ব একটি বলের মধ্য আনা সম্ভব হবে।

এআই এমন এক প্রযুক্তি যার মাধ্যমে কোনো যন্ত্রের মধ্যে স্মার্ট আচরণ ঢুকিয়ে দেওয়া সম্ভব। এটাই আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রযুক্তি হতে চলেছে যা ধীরে ধীরে স্মার্ট হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই-কে আমরা কোথায় নিয়ে চলেছি এবং আর দ্বারা কি করা হবে সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি।

আরও পড়ুন: ত্রিমাত্রিক ম্যাপিংয়ের সহায়তা দেবে বুয়েটের ছাত্রদের বানানো রোবট

দুটো শব্দ বেশ আতঙ্ক ছড়িয়েছে ‘কিলার রোবট’। শব্দ দুটো শুনলেই মনে ‘আই রোবট’ সিনেমা কিংবা ‘টারমিনেটর’ ছবির কোনো খুনি রোবটের কথা মনে পড়ে যায়। তবে কোনো বুদ্ধিমান এবং উপকারী রোবটের কথা চিন্তা করলে এমন কোনো রোবটের কথা মনে হয় তা শুধু মানুষের নির্দেশ পালন করে চলে।

তবে খুনে রোবট বলতে এমন রোবটের কথা বলা হয় যার সঙ্গে মারণাস্ত্র জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যে রোবট যোদ্ধা হিসেবে ব্যবহৃত হবে তারাই কিলার রোবট। সেনাবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হবে এসব রোবট। ইতিমধ্যে এসব রোবট রয়েছে বিভিন্ন সেনাবাহিনীর হাতে। শুধু তা মানুষের অবয়বে দেহ কাঠামো পায়নি। মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম থেকে শুরু করে নিয়ন্ত্রিত বিমান আসলে রোবট।

কিন্তু টারমিনেটরের মতো খুনে রোবট বানানো হলে তার ভবিষ্যত কি হবে তা সত্যিকার অর্থেই চিন্তার বিষয়। এ কারণে বিশ্বের সকল এআই গবেষক এবং প্রযুক্তিবিদরা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সাবধান করেছেন, যদি সবাই এআই অস্ত্র নিয়ে কাজ করেন, তবে গ্লোবালি যার যার সংশ্লিষ্ট সেনাবাহিনী গড়ে উঠবে।

7416

তাই কিলার রোবট তৈরি বন্ধে ৫০টিরও বেশি বেসরকারী সংস্থা ক্যাম্পেইন করেছে। এর মাধ্যমে কেমিক্যাল অস্ত্রকে বিদায় জানানোর প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যে জাতিসংঘ বিষয়টি নিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছে।

অনেকেই সিনেমার মতো রোবটের এমন ভবিষ্যত দেখছেন যেখানে তারা নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে বুঝতে শিখেছে এবং মানুষ জাতিকে নিজের অধীনে নিয়ে নিয়েছে। তবে বিষয়টি এত সোজাও নয়। এটা বুঝতে হলে মানুষকেই সেই এআই ঢুকিয়ে দিতে হবে যা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হতে হবে। সূত্র : সি নেট

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন