সারাদেশে ৩১টি সার্ভিস সেন্টার নিয়ে এলিট

0

নিউজ ডেস্ক, টেকজুম ডটটিভি// মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড এলিট মোবাইল সারাদেশে চালু করেছে ৩১টি সার্ভিস সেন্টার-‘এলিট কেয়ার’।

আগামী বছর প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে এই তালিকায় যুক্ত হবে আরও ১২টিসহ মোট ৪৩টি গ্রাহকসেবা কেন্দ্র। এলিট মোবাইল তাদের গ্রাহকদের সব ধরণের মোবাইল হ্যান্ডসেটের সাথে দিচ্ছে ১৩ মাসের ওয়ারেন্টি।

এছাড়া সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা সকল এলিট কেয়ার সেন্টারে তাৎক্ষনিক গ্রাহক সেবা পাওয়া যাচ্ছে। মাদারবোর্ডের সমস্যার ক্ষেত্রে ঢাকার মধ্যে ২ দিন এবং ঢাকার বাইরে হলে ৪ দিনেই মিলছে সমাধান। শুধু এলিট কেয়ার থেকেই নয়, গ্রাহকের সুবিধার্থে রিটেইল শপ থেকেও পাওয়া যাবে “ওয়ান ডে পিক অ্যান্ড ড্রপ” নামের বিক্রয়োত্তর সেবা। এক্ষেত্রে ক্রেতা যে রিটেইল শপ থেকে ফোনটি কিনেছেন সেখান থেকে এক দিনেই পাবেন এই সেবা।

পাশাপাশি দেশের ১৫টি কালেকশন পয়েন্ট থেকেও একই ধরণের সেবা পাওয়া যাবে। এদিকে গ্রাহক সেবা দেওয়ার জন্য সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে এলিট কেয়ারের কল সেন্টারও। সপ্তাহের ছুটির দিন ছাড়া বাকি দিনগুলোতে কল সেন্টার থেকে এলিট মোবাইল সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নেওয়া যাবে। এলিট মোবাইল ক্রেতাদের সুবিধার্থে বাজারে আসার আগেই এসকল সার্ভিস সেন্টার চালু করেছে।

বর্তমানে এলিট কেয়ার সার্ভিস সেন্টার রয়েছে ঢাকার মিরপুর-১০, উত্তরা, গুলশান, বসুন্ধরা সিটি ও সাভারে এবং ঢাকার বাইরে রয়েছে চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ, খুলনা, রাজশাহী, বগুড়া, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নারায়ণগঞ্জ, রংপুর, কুমিল্লা, যশোর, বরিশাল, ফেনী, বাগেরহাট, গাজীপুর, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, পাবনা, ফরিদপুর, কক্সবাজার, সিরাজগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁয়।

এলিটের গ্রাহক সেবাকেন্দ্র “এলিট কেয়ার” সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আশফাক মনির বলেন, আমরা আমাদের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রগুলোকে এমনভাবে তৈরি করেছি যাতে একজন গ্রাহক সেখানে গেলে স্বাচ্ছন্দ্য ও সম্মানিত বোধ করেন। ইতিমধ্যে আমরা আমাদের ক্রেতাদের কাছে আমাদের এলিট কেয়ারের জন্য প্রশংসিত হয়েছে। স্মার্টফোন কিনে কোন বড় সমস্যায় পড়লে গ্রাহকরা অনেক সময় কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করার তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। কিন্তু আমরা এ সমস্যা দূর করতে প্রত্যেক সার্ভিস সেন্টারে দক্ষ প্রকৌশলী নিয়োগ দিয়েছি যারা স্বল্প সময়ের মধ্যেও ফোনের জটিল সমস্যার সমাধান দিতে পারদর্শী। বড় কোনো সমস্যা হলে এখন আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেবা দিতে পারছি। এই সময়ের পরিমাণ সামনের দিকে আরও কমিয়ে আনতে আমরা কাজ করছি।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন