খোবাইব চৌধুরী// আমি গত ৫ মাসের উপর ৪-স্টার কুরিয়ারের সাথে কাজ করি। প্রতিদিন ওরা পার্সেল নিয়ে যায় এবং কিছুদিন পরপর টাকা দেয়, সপ্তাহে একবার। প্রত্যেকটা পার্সেলে ২ টা ইনভয়েস থাকতো, একটা কাস্টোমারদের জন্য, আরেকটা আমাদেরকে ফেরত দেয় যেন হিসাবে সুবিধা হয় টাকা দেয়ার সময়। শুরু করার কিছুদিন পর থেকে আমি দেখলাম কিছু ইনভয়েস এবং ওগুলার টাকা ফেরত আসছে না।

ওদেরকে জিগ্যেস করলে ওরা বলত সাথে সাথে সবগুলা ডেলিভারির টাকা ফেরত আসে না, এভাবে ধীরে ধীরে হিসাবে কিছু গরমিল থেকে যায়। রোজার ঈদের সময় আমি বসে ওদের সাথে হিসাব করে যেই টাকা বাকি সেটা চাইলে ওরা বলে দিয়ে দিবে। তারপর এভাবে চলতে থাকে, ওরা পুরা ব্যাপারটার সুযোগ নেয় কারণ আমি প্রতিদিন পার্সেল দিতে বাধ্য, আমার কাস্টমার কমিটমেন্ট আছে। আর ওরা এই সপ্তাহ সেই সপ্তাহ করে কোরবানির ঈদ পর্যন্ত ঘুরাতে থাকে।

কোরবানির ঈদের সময় ব্যাপারটা আরো খারাপ রূপ নেয়, অনেক টাকা বাকি হয়ে যায়. তারা আমাকে বলে আমাদের দিকে চেক করতে, আমি ঈদের পরের ২ দিন বসে সব ইনভয়েস বের করেছি, তারপর তাদেরকে ডকুমেন্ট প্রিন্ট করে দিয়েছি কবে কোথায় কোন পার্সেলে কত টাকা পাবো এবং পার্সেল কোথায় ডেলিভারি হয়েছে। ওরা আমাকে বলল যে ব্যাপারটা দেখবে. তারপর কয়েকদিন পর বলল তারা এইটার টাকা দিসে ঐটার টাকা দিসে।

সৌভাগ্যবশত আমি সব কিছুই গুগল ডকে সেভ করে রাখতাম, সাথে সাথে ওদেরকে ডকুমেন্ট পাঠালাম, তারপর ওরা আর আমার ফোনও ধরে না, আর যোগাযোগ তো সম্পূর্ণ বন্ধ. আমি ৩ দিন আগে ৪-স্টারের আরেক মালিকের কাছে ফোন দিয়ে বললে সে বলল আমাকে জানাবে. আজকে অবশেষে তারা বলল যে তারা ওই পার্সেলগুলা আমাদের কাছ থেকে নেয়ই নাই।

এখন আমি ৪-ষ্টারকে বিশ্বাস করে পার্সেল দিয়েছি, আমার কাছে কোনো প্রমান নেই যে আমি টাকা পাই। কিন্তু কাস্টোমারকে জিগ্যেস করলে তারা বলবে যে তারা পার্সেল পেয়েছিল। আমার এখন কি করা উচিত বলে আপনাদের মনে হয়। এখানে অনেক ই-কমার্স উদ্যোক্তা আছেন, পরামর্শ দিলে ভালো হত। আমি অবশ্যই আমার লিংক ইউস করব এবং এর শেষ দেখে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন