ওয়েব পোর্টালই ডিজিটাল সরকার নয়: মোস্তাফা জব্বার

মোস্তাফা জব্বার// যে বিষয়টির প্রতি এই মন্ত্রণালয়ের নজর সবার আগে পড়ার কথা সেটি হচ্ছে ডিজিটাল সরকার। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য সরকারের সবচেয়ে বড় কাজটি হচ্ছে সরকারের প্রশাসনকে ডিজিটাল করা। কাগজনির্ভর একটি প্রশাসনকে ডিজিটাল প্রশাসনে রূপান্তর করাটাই এখন সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু গত সাড়ে পাঁচ বছরে সচিবালয়ের কোন পরিবর্তন হয়নি। এই সচিবালয় ডিজিটাল বাংলাদেশের সচিবালয় নয়। এমনকি খোদ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এখনও ব্রিটিশ আমলের ফিতায় বন্দী মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের তেমন কোন পরিকল্পনা নেই যে, কেমন করে সরকারকে ডিজিটাল করা যাবে। এখনও যে বড় বড় বুলি আমরা সরকারের নীতি নির্ধারকদের মুখে শুনি সেসব হচ্ছে হাজার হাজার সরকারী ওয়েবসাইট বানানোর গল্প। ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য ওয়েবসাইটের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কিন্তু সরকারের কাজ করার পদ্ধতি না বদল করে এসব ওয়েবসাইট দিয়ে কতটা সফলতা পাওয়া যাবে সেটি আগে ভাবতে হবে। আমরা জানতে পেরেছি যে, সরকারের কাজ করার সফটওয়্যারটির কাজই এখনও সম্পন্ন করা যায়নি। এতে ডিজিটাল সিগনেচারের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এতে সরকারের কর্মকর্তাদের স্ক্যান করা সই থাকবে এবং সেটি দিয়েই প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আমি ঠিক জানি না যে, সরকারটির ডিজিটাল রূপান্তরের আদৌ কোন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আছে কি-না।

২৩ জুন ২০১৪ আওয়ামী লীগের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ‘বিশ্বের বৃহত্তম’ ওয়েব পোর্টাল ‘বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন’ উদ্বোধন করেন। এর উদ্বোধনের সময় সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছিলেন, ‘আমরা যাচাই করে দেখেছি যে বিশ্বের অন্য কোন দেশে সরকারী ২৫ হাজার ওয়েবসাইট এক জায়গায় নেই। একমাত্র বাংলাদেশে আছে এখন।’

জয় এই বাতায়ন উদ্বোধন করার অনেক আগে থেকেই এই বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম খান মিডিয়ায় বার বার বলছিলেন যে, এমন একটি মাইলফলক অর্জন বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য একটি বিশাল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে। আমরাও তাই ভেবেছি। শেখ হাসিনার সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা দেয়ার পর একটি সাহসী কাজ হিসেবে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র চালু করেছিল। সেটি নিয়ে ভাল-মন্দ আলোচনা রয়েছে। তবুও এমন একটি সাহসী পদক্ষেপের জন্য সবাই এর প্রশংসা করেছি। যদিও এর সঙ্গে যুক্ত বিষয়গুলোর সমাধান এখনও হয়নি এবং নানা জটিলতায় প্রায় সাড়ে চার হাজার তথ্য ও সেবাকেন্দ্রের অধিকাংশই জনগণকে সেবা দেয়ার মতো অবস্থাতেই নেই, তথাপি এর কোন না কোনটি দেশের মানুষের কারও না কারও কাজে লাগছে-এটি একটি বিশাল বড় সান্ত¡না। আর যাই হোক তথ্যপ্রযুক্তি গ্রামের প্রত্যন্ত মানুষের কাছে দৃশ্যমান হয়েছে সেটিই বড় অর্জন। যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে তার অনুপাতে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছেছে কিনা সেটি নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও সাধারণভাবে আমরা এর প্রশংসাই করেছি। জাতীয় তথ্য বাতায়ন গড়ে তোলাও তেমনি একটি প্রশংসা পাওয়ার মতো কাজ। কিন্তু সেই প্রশংসার জায়গাটি কি তেমনই আছে, যেমনটি প্রত্যাশিত। গত ২৫ জুলাই ২০১৪ শুক্রবারের দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় গোলাম নবী জুয়েল জাতীয় তথ্য বাতায়ন নিয়ে একটি পর্যালোচনা নিবন্ধ লিখেছেন। এতে তিনি এই তথ্য বাতায়নটি সম্পর্কে কিছু মন্তব্য করেছেন এবং কিছু তথ্য উপস্থাপন করেছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে কোন মন্তব্য করা হয়নি। তথ্যগুলো এতটাই ভয়ঙ্কর যে জাতীয় তথ্য বাতায়ন সৃষ্টি করার বড় কাজটিকে এখন গলার কাঁটার মতো মনে হচ্ছে।

‘তথ্য বাতায়নে তথ্য সন্নিবেশিত করার জন্য ৫০ হাজারের বেশি সরকারী কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। এটির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিল এ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) কর্মসূচী।’

‘উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বলা হয়েছে এই তথ্য বাতায়ন প্রতিদিন ১৫ লাখ মানুষ দেখেন। র‌্যাঙ্কিং ও জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের ওয়েবসাইট এ্যালেক্সায় ২৩ জুলাই রাতে দেখা যায় জাতীয় তথ্য বাতায়নের অবস্থান বাংলাদেশ থেকে দেখা ওয়েবসাইটগুলো মধ্যে ২৪২ নম্বরে। আর বিশ্বে ৮২,৮৩৫ নম্বর স্থানে। সরকারের ইচ্ছা হলো দেশের নাগরিকরা কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইন, পর্যটন ইত্যাদি তথ্য পাওয়ার জন্য জাতীয় তথ্য বাতায়নকে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ হিসেবে ব্যবহার করবে। বলা হচ্ছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞপ্তি, গেজেট, ই-সেবা, সরকারী ফর্মসমূহ, সিটিজেন চার্টার, বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের তালিকা, সাত লাখের বেশি ই-ডিরেক্টরি, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা, সরকারের উন্নয়ন কর্মকা-, জনপ্রতিনিধিদের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর ইত্যাদি সব তথ্যই ‘বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন’-এ পাওয়া যাবে।

ইউনিয়ন পর্যায়ের ৪,৫৫০, উপজেলা পর্যায়ের ১৪,৪৬০, জেলা পর্যায়ের ৪০৩২, বিভাগ পর্যায়ের ৪৫৫, জেলা পরিষদ পর্যায়ের ৬৪, উপজেলা পরিষদ পর্যায়ের ৪৮৮, মন্ত্রণালয়-বিভাগ পর্যায়ের ৫৫, অধিদফতর পর্যায়ের ৩৪৫ এবং সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা পর্যায়ের ৪১৪টি ওয়েবসাইটকে একসূত্রে গেঁথে জাতীয় তথ্য বাতায়ন তৈরি করা হয়েছে। এমনকি বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে পরিচয় করিয়ে দিতে এর একটি ইংরেজী সংস্করণও আছে, যা প্রশংসার যোগ্য। তবে তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলা ও ইংরেজী সংস্করণে গরমিল রয়েছে। যেমন, বাংলা সংস্করণের প্রথম পাতার মুখবন্ধে লেখা রয়েছে : ‘জাতীয় বাতায়নের আওতায় দেশের সকল ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ, অধিদফতর, মন্ত্রণালয়সহ সকল সরকারী দফতরের জন্য প্রায় ২৫ হাজার ওয়েব পোর্টাল (তথ্য বাতায়ন) নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সব দফতরে পোর্টাল চালু হলে জনগণের তথ্য ও সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ হবে।’ অন্যদিকে, ইংরেজী সংস্করণে বলা হয়েছে ২৫ হাজারের বেশি পোর্টাল তৈরি করা হয়েছে যা পরীক্ষামূলক (বেটা সংস্করণ) অবস্থায় রয়েছে। এভাবে বাতায়নজুড়েই বাংলা ও ইংরেজী সংস্করণের তথ্য ও পরিসংখ্যানে দেখা যায়।

জাতীয় তথ্য বাতায়নে কিছু থাকলেও এটি ব্যবহারবান্ধব নয় অর্থাৎ এটি ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। কোন তথ্য খুঁজে পাওয়া এখানে খড়ের গাদায় সুঁই খোঁজার মতো। তারপর যে তথ্যটি খুঁজে পেলেন সেটার ওপর নির্ভর করা যায় কি না, সেটা নিয়েও সন্দেহ দেখা দিতে পারে। কারণ, প্রচুর ভুল তথ্য ও উপাত্ত রয়েছে। একজন ব্যবহারকারী যখন একবার একটা ভুল তথ্য দেখতে পান, তখন স্বাভাবিকভাবেই অন্যান্য তথ্য নিয়ে মনে প্রশ্ন জাগে। আর যখন পাতায় পাতায় ভুল তথ্যের সমারোহ দেখবেন তখন বুঝবেন অবস্থাটা কত গুরুতর। প্রথম পাতায় বড় করে লেখা আছে ৬১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। কিন্তু ভেতরে আছে ৬০টি। আবার ৩৪৫টি অধিদফতর ও অন্যান্য বাটন টিপে ভেতরে গেলে পাওয়া যায় ৩৫৩টি, যার মধ্যে তথ্য কমিশন দু’বার আছে।

মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা অধিদফতরের নামগুলো বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো না থাকায় বিশাল তালিকা থেকে নিজের পছন্দেরটি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর ও শ্রমসাধ্য। আবার প্রথম পাতার অনুসন্ধানে লিখে যে দরকারিটা খুঁজে পাবেন তাও নয়। পৃথকভাবে কলাপাড়া, পটুয়াখালী, কুয়াকাটা প্রভৃতি লিখে সার্চ করে কিছুই পাওয়া যায়নি। কক্সবাজার লিখে সার্চ করে শুরুতেই ‘হাসপাতালের তালিকা’ দেখা গেছে। আর তাতে ক্লিক করার পর পাওয়া গেছেন দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলার হাসপাতালের তালিকা। এই বাতায়ন ধরে আপনার জেলা কিংবা উপজেলায় চলে গেলে সেখান থেকে আর বাতায়নে ফিরতে পারবেন না অথচ এই সুযোগটি অনায়াসে রাখা যেত। মোদ্দা কথা, গুরুত্বপূর্ণ ও নাগরিকসেবার জন্য অনন্য হতে পারত যে পোর্টালটি, সেটি অনেক অযত্ন আর অবহেলায় তৈরি করা হয়েছে।

শুধু তথ্যের সঠিকতাই নয়, তথ্যের মান ও তথ্যবিন্যাস নিয়েও হয়ত ভাবেননি এই ওয়েবসাইট নির্মাণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা। তথ্যের অসঙ্গতি কতটা আছে বোঝার জন্য বেছে নিয়েছিলাম পটুয়াখালী জেলার কলাপাডা উপজেলাকে। সেখানে গিয়ে তো চক্ষু চড়ক গাছ। ইউনিয়ন পরিষদগুলোর (ইউপি) চেয়ারম্যানদের নাম, গ্রামের নাম ও সংখ্যায় নানা অসঙ্গতি রয়েছে। তবে স্তম্ভিত হতে হয়েছিল ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্রের ওয়েবসাইটে গিয়ে। দেখলাম জুন ২০১৪-এর শীর্ষ ২০ সেবাদানকারী কেন্দ্রের তালিকার শীর্ষে থাকা রাজৈরের ইশিবপুর ইউনিয়নের আয় হলো এক মাসে ১০ কোটি ৪৮ হাজার ৮৭৫ টাকা। যা এককথায় অসম্ভব। সবচেয়ে কম আয়কারী হলো উজিরপুরের হারতা ইউনিয়ন। তাদের আয় হলো ১,১৯,৬৩৮ টাকা। এক দিনের তালিকায় দেখা যায় নোয়াখালী সদরের নোয়াখালী ইউনিয়ন আয় করেছে ৩৩,৭৩০ টাকা। আর ৩ নম্বরে রয়েছে ‘এ্যাডমিন’। তার আয় ১২,০৭০ টাকা। তাহলে বুঝুন পুরো ওয়েবসাইটে ডাটা এন্ট্রি করার অবস্থাটি কী?’ গোলাম নবী জুয়েলের লেখাটি পড়ে আমিও এর নানা তথ্য অনুসন্ধান করেছি। এতে যেসব অসঙ্গতি চোখে পড়েছে তা লিখতে রীতিমতো একটি মহাকাব্য রচনা করা যায়।

আমি স্মরণ করতে পারি, তথ্য বাতায়নটি উদ্বোধনের সময়ই একটি টিভি মিডিয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্য আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তখনও গোলাম নবী জুয়েলের মতো কেউ এটি নিয়ে পর্যালোচনা করেননি। তবে সেদিন বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্যামল দত্ত তথ্য বিভ্রাটের কথা বলেছিলেন। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেদিন এটুআই-এর কবির বিন আনোয়ারের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অসুস্থতার অজুহাতে তিনি সেদিন আমাদের মুখোমুখি হননি। তবে তার আগে পিআইবিতে সাংবাদিকদের সামনে তাদের নানা বিষয়ে জবাবদিহি করতে হয়েছে।

জুয়েলের আলোচনা, আমাদের পর্যবেক্ষণ ও সামগ্রিক বিবেচনায় যে কথাটি খুব কাতরভাবে আমরা বলতে পারি সেটি হচ্ছে, জাতীয় তথ্য বাতায়নের মতো একটি তথ্য কোষের সব তথ্য আপটুডেট, সত্য এবং নির্ভরযোগ্য হতে হবে। এখান থেকে তথ্য নিয়ে কাউকে আবার কোথাও যাচাই করতে হবে তেমন অবস্থা যদি বিরাজ করে তবে যারা এর দায়িত্ব আছেন তাদের সবাইকে এই জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

আমরা এখন লক্ষ্য করছি যে, আমাদের শঙ্কা, শঙ্কাই রয়ে গেছে। এতে কেবল যে মিথ্যা-বানোয়াট বা ভুল তথ্য দেয়া হয়েছে তাই নয়, এর তথ্য আপডেট করার কোন প্রক্রিয়াই কাজ করে না। যদি আমরা ধরেও নিই যে, এক মাস আগে তথ্য আপডেট করতে কিছুটা সমস্যা থাকতে পারে তবুও গত এক মাসে সেসব তথ্য আপডেট করার কোন প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়নি তার জবাব এটুআই-এর কাছে কি আছে সেটি আমরা জানি না।

এরই মাঝে ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণাপত্র তৈরি করা থেকে শুরু করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার এক ধরনের একক দায়িত্ব এটুআই নিজেরাই পালন করে আসছে। সেই সূত্র ধরে ডিজিটাল শিক্ষা, ডিজিটাল সরকার বা ডিজিটাল জীবনধারা গড়ে তোলার কিম্ভূতকিমাকার প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়িত হচ্ছে। কখনও তারা বাংলা ভাষা নিয়ে চক্রান্ত করছে, কখনও জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোর নামে রাষ্ট্রের শত শত কোটি টাকা ব্যয় করছে। কখনও তারা ফ্রন্ট বানাচ্ছে, কখনও তারা রোমান হরফে বাংলা লেখার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার আমলের বহুল বিতর্কিত এসআইসিটি নামের সেই প্রকল্প যখন এটুআই হয়ে শেখ হাসিনা সরকারের ঘাড়ে সওয়ার হয় তখনই আমাদের শঙ্কা ছিল যে, ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণাটিকে ব্যর্থতায় পর্যবসিত করতে এদের সবচেয়ে বড় অবদান থাকবে।
আমাদের অনুরোধ, জাতীয় তথ্য বাতায়নটি যেন আরও একটি ব্যর্থ প্রকল্পে পরিণত না করা হয়।

লেখক : তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, দেশের প্রথম ডিজিটাল নিউজ সার্ভিস আবাস-এর চেয়ারম্যান, বিজয় কীবোর্ড ও সফটওয়্যারের জনক।