এয়ারটেলের কর্মী ছাঁটাই সিদ্ধান্ত নভেম্বরে

0

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকজুম ডটটিভি// সব কর্মীদের সিভি চেয়েছে এয়ারটেল।আর এর ফলে ছাঁটাই কার্যক্রম বুঝি শুরু হলো এই ভেবে কর্মীদের দুশ্চিন্তা আরও বেড়েছে। এয়ারটেলের হিউম্যান রিসোর্স বিভাগ থেকে সিভি জমা দিতে বলার চিঠি পেয়েছেন এমন কর্মীরা এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সিভি নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ৯ সেপ্টেম্বর রবি-এয়ারটেলের একীভূত হওয়ার খবর প্রকাশের পর থেকেই দুশ্চিন্তা ভর করেছে এয়ারটেল বাংলাদেশের কর্মীদের মাথায়। কারণ এতে এয়ারটেলের কর্মীদের চাকরি হারানোর দুশ্চিন্তা অনেক বেশী।

আর সম্প্রতি সিভি চাওয়ার পর সবাই হিসেব-নিকেশে করছেন কার চাকরি থাকবে আর কে বাদ পড়বেন।তবে এই সিভি চাওয়ার সাথে কর্মী ছাটাইয়ের কোন সম্পর্ক বা কি কারণে সিভি চাওয়া এসব বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন এয়ারটেল কর্মকর্তারা।এয়ারটেলে সব মিলে এখন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী আছেন প্রায় আট’শ। এর মধ্যে নিয়মিত প্রায় পাঁচ’শ কর্মী।

ইতিমধ্যে জানা গেছে, দেশের তিন এবং চার নাম্বার অপারেটর মিলে যে নতুন কোম্পানি আসতে যাচ্ছে সেখানে রবির মূল কোম্পানি আজিয়াটার শেয়ার থাকবে ৭০ শতাংশ। আর এয়ারটেলের দখলে থাকবে ২৫ শতাংশ । বর্তমানে রবির অন্য অংশীদার জাপানের এনটিটি ডকোমোর শেয়ার হবে ৫ শতাংশ।

ফলে স্বাভাবিকভাবে এই কোম্পানিতে রবির বর্তমান কর্মীদের দাপটই থাকবে বেশী। ফলে তাদের চাকরি হারানোর সুযোগ তেমন একটা নেই।

আগস্টের শেষ সপ্তাহে মালয়েশিয়ার কুয়ালামপুরে অপারেটর দুটি একীভূত হওয়ার আলোচনা শুরু করে। তার পর নানা পথ পেরিয়ে বর্তমান অবস্থায় এসেছে একীভূতকরণের প্রক্রিয়া।

তবে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুয়ায়ী চলতি বছরের নভেম্বরে এয়ারটেলের কর্মীদের চাকরি থাকা না থাকা নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন এয়ারটেলের কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে ওয়ারিদ বাংলাদেশের ষষ্ঠ অপারেটর হিসেবে মোবাইল লাইসেন্স নেয় এবং ২০০৮ সালে সেবা কার্যক্রম শুরু করে। ২০১০ সালে এয়ারটেল ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ শেয়ার মাত্র ১ লাখ ডলার কিনে নিয়ে বাংলাদেশে যাত্রা করে। এরপর ২০১৩ সালে বাকি ৩০ শতাংশ কিনে নেয় ৮৫ মিলিয়ন ডলারে।

আর ২০১৫ সালের মাঝামাঝিতে এসে অপারেটরটি রবির সাথে একীভূত হতে যাচ্ছে।

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন