দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে বাংলাদেশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম পাঠাও (Pathao)। নেপালে, বিশেষ করে রাজধানী কাঠমান্ডুতে, রাইড-শেয়ারিং অ্যাপ হিসেবে পাঠাও এখন এক জনপ্রিয় নাম। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে নেপালে কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই এটি স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদের কাছেও পছন্দের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে।
নেপালে পাঠাওয়ের সাফল্যের কারণ
কাঠমান্ডুর ব্যস্ত জনজীবনে সহজ ও সাশ্রয়ী যাতায়াত ব্যবস্থার চাহিদা মেটাতে পাঠাওয়ের বাইক এবং কার রাইড-শেয়ারিং পরিষেবা অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। শুধু যাতায়াত নয়, পাঠাও নেপালে তাদের সেবার পরিধি বাড়িয়ে ফুড ডেলিভারি (Pathao Food) এবং পার্সেল ডেলিভারি (Pathao Parcel)-ও চালু করেছে, যা এটিকে একটি ‘সুপার অ্যাপ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই বহুমুখী সেবা প্রদানের ক্ষমতা পাঠাওকে নেপালের ডিজিটাল বাজারে একটি শক্তিশালী অবস্থান দিয়েছে।
স্থানীয় চাহিদা মেটানো ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি
নেপালের স্থানীয় সংস্কৃতি এবং বাজারের সাথে চমৎকারভাবে খাপ খাইয়ে নিতে পারাই পাঠাওয়ের সাফল্যের অন্যতম কারণ। অ্যাপটি কাঠমান্ডুর মতো শহরে দৈনন্দিন যাতায়াত সহজ করার পাশাপাশি হাজার হাজার নেপালী নাগরিকের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। অনেক স্থানীয় চালক জানিয়েছেন যে, তারা নিয়মিত বিমানবন্দর থেকে পর্যটকদের বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছেন, যা পর্যটন খাতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
পাঠাওয়ের এই আন্তর্জাতিক সাফল্য বাংলাদেশের প্রযুক্তি স্টার্টআপ খাতের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এটি প্রমাণ করে যে, দেশের উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলো বৈশ্বিক বাজারেও সফল হতে পারে।






















