রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আগামীকাল বুধবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’-এ কেবল প্রযুক্তি প্রদর্শনই নয়, ক্রেতাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় সব অফার। এবারের মেলায় বৈধভাবে আমদানিকৃত ও দেশে তৈরি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বিশাল ছাড় পাওয়ার সুযোগ থাকছে।
মেলা প্রাঙ্গণে স্মার্টফোন ক্রেতাদের টানতে অংশগ্রহণকারী ব্র্যান্ডগুলো বিশেষ ডিসকাউন্ট ও প্রমোশনাল প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। মেলায় কেবল ছাড়ই নয়, থাকছে লাকি ড্র এবং গিভঅ্যাওয়ের মাধ্যমে বড় বড় সব উপহার। লেনেভো (Lenovo) তাদের স্টলে আসা ভাগ্যবান দর্শকদের জন্য ই-বাইক (E-bike) উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়াও অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ব্র্যান্ডই তাদের পন্যের সাথে ব্যাগ, টি-শার্ট এবং ছোটখাটো গ্যাজেট উপহার হিসেবে দিচ্ছে।
মেলায় বিভিন্ন পণ্যে ছাড় ও অফারের বিষয়ে জানানো হয়, কম্পিউটারের পাশাপাশি ৪০ শতাংশ ব্র্যান্ড ফোনে ছাড় পাবেন গ্রাহক। দেখা দিতে পারে স্যামসাং এর তিন ভাঁজের স্মার্টফোন। অনার আনছে ডিপ ফেইক ভিপ ফেইক ভিডিও শনাক্তের ডিভাইস আনছে অনার। শাওমি ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় ও ১০ হাজার টাকা সমমূল্যের উপহার। ভাগ্যবানদের জন্য লেনেভো দেবে ই-বাইক।
প্রযুক্তিপ্রেমীদের কেনাকাটা ও ভ্রমণের সুবিধার জন্য পুরো মেলা প্রাঙ্গণকে ৫টি নির্দিষ্ট জোনে ভাগ করা হয়েছে: ১. ইনোভেশন জোন: যেখানে শিক্ষার্থীদের নতুন সব উদ্ভাবন দেখা যাবে। ২. ডিজিটাল ডিভাইস জোন: আধুনিক ল্যাপটপ ও গ্যাজেটের সমাহার। ৩. মোবাইল জোন: সব লেটেস্ট স্মার্টফোনের বিশাল সংগ্রহ ও কেনাকাটার সুযোগ। ৪. ই-স্পোর্টস জোন: গেমিং প্রেমীদের জন্য প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা। ৫. বিটুবি (B2B) জোন: ব্যবসায়িক আলোচনার জন্য সংরক্ষিত এলাকা।
মেলাটি ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। মেলায় প্রবেশের জন্য কোনো টিকিট লাগবে না, তবে দর্শকদের অনলাইনে বা মেলা প্রাঙ্গণে সরাসরি নিবন্ধন (Registration) করতে হবে।
বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, “এই এক্সপোতে আমরা তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন ও দেশীয় প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। দেশের প্রযুক্তি পণ্য যে বিশ্বমানের হতে পারে, সেটিই এখানে তুলে ধরা হবে।”
আয়োজকরা আশা করছেন, বৈধ মোবাইল ফোনে এই বিশাল ছাড় সাধারণ মানুষকে অবৈধ ও গ্রে-মার্কেট ফোন কেনার ঝুঁকি থেকে সরিয়ে আনবে এবং দেশীয় ব্র্যান্ডগুলোর প্রতি আস্থা বাড়াবে।






















