ডাচ্-বাংলা ব্যাংক খুলনা শাখায় সিআরএম (CRM) মেশিনে টাকা জমা দিতে গিয়ে এক গ্রাহকের ৪,০০০ টাকা আটকে গেছে এবং পরবর্তীতে সেই টাকা ফেরত পেতে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ. আর. নাঈম নামের ওই ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তার আটকে যাওয়া টাকাকে পরের দিনের একটি নতুন জমার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে সমস্যাটির সমাধান করছে না।
ভুক্তভোগী গ্রাহক এ. আর. নাঈম সম্প্রতি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন।
তিনি জানান, গত ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে তিনি খুলনা শাখায় অবস্থিত সিআরএম মেশিনে ৪,০০০ টাকা জমা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু টাকাটি মেশিনে আটকে যায় এবং তার অ্যাকাউন্টে জমা হয়নি। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি শাখা কর্তৃপক্ষকে জানান।
এর পরের দিন, অর্থাৎ ২৪ সেপ্টেম্বর, তিনি একই মেশিনে নতুন করে ২৮,০০০ টাকা এবং ৪,০০০ টাকা জমা দেন।
সমস্যার শুরু হয় এরপরই। নাঈম অভিযোগ করে বলেন, “এখন ব্যাংক আমাকে বলতেছে ২৩ তারিখের মিসিং টাকা ২৪ তারিখ আসছে। আমি ওনাদের যতই বলতেছি, ওনারা বুঝতে চাচ্ছেন না।” তার দাবি, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ২৪ তারিখে তার নতুনভাবে জমা দেওয়া ৪,০০০ টাকাকেই ২৩ তারিখের আটকে যাওয়া টাকা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করছে।
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করলে তারা বিষয়টিকে খুলনা শাখার ওপর ছেড়ে দিয়ে কোনো সহযোগিতা করতে অপারগতা প্রকাশ করে। ব্যাংকের (শোরগোলপূর্ণ) পরিবেশ এবং গ্রাহকসেবার মানে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “ব্যাংকে ঢুকলে মনে হয় মাছের বাজারে আসছি।”
এই ঘটনায় প্রতিকার না পেয়ে তিনি আইনি আশ্রয় নেওয়ার কথা ভাবছেন এবং অন্য গ্রাহকদের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পরিহার করার পরামর্শ দিয়েছেন।




















