জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে সরব হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। বিভিন্ন প্রার্থী প্রচারণা ও কর্মতৎপরতায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। এরই মধ্যে আলোচনায় এসেছেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত “সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট”-এর এজিএস পদপ্রার্থী ফেরদৌস আল হাসান।
জাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণার পর, সম্প্রতি তার এক সহপাঠী প্রদীপ হালদারের ফেসবুক পোস্টে ফেরদৌস আল হাসানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন তার বিভাগের সভাপতি’সহ অন্যান্য শিক্ষকরা।
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মাহিলা নার্গিস আহমেদ লিখেছেন, “অনেক অনেক দোয়া আর শুভকামনা রইলো ফেরদৌসের জন্য। আমার সুযোগ থাকলে আমিও ফেরদৌসকে ভোট দিতাম।”
সহযোগী অধ্যাপক সাবিকুন নাহার মন্তব্য করেছেন, “আমার ভোট দেওয়ার এখতিয়ার থাকলে, ফেরদৌসকে দিতাম।” অধ্যাপক স্বাধীন সেনও একই মনোভাব প্রকাশ করে লিখেছেন, “আমার ভোট দেওয়ার এখতিয়ার থাকলে, ফেরদৌসকে দিতাম।”
প্রথম বর্ষ থেকেই ফেরদৌস আল হাসান নানা সামাজিক ও সেবামূলক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। শ্রেণিকক্ষ থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনে তার সরব উপস্থিতি এবং নেতৃত্বদানের দক্ষতা তাকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
বাঁধন-এ দীর্ঘদিন কাজ করেছেন ফেরদৌস। তিনি বহুবার রক্ত দিয়েছেন এবং রক্ত সংগ্রহ করে হয়েছেন “বছরের সেরা রক্তদাতা”। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সেবামূলক সংগঠন রোভার স্কাউট-এ তিনি ২০২৪-২৫ সেশনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি ও সিনিয়র রোভার মেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা Physically Challenged Development Foundation, JU-এর ২০২২-২৩ সেশনে তিনি কোষাধ্যক্ষ ছিলেন।
ফেরদৌসের সামাজিক কাজ এখানেই শেষ নয়। প্রথম বর্ষ থেকেই তিনি যুক্ত আছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর ইয়েস গ্রুপের সঙ্গে। পাশাপাশি লিও ক্লাব, এক্সপ্লোরাস, জাবি এবং আরও নানা সামাজিক সংগঠনে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আগামী ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ অনুষ্ঠিতব্য জাকসু নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত “সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট”-এর পক্ষ থেকে এজিএস পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ফেরদৌস আল হাসান। সহপাঠী ও শিক্ষকদের প্রত্যাশা, তার সততা, কর্মদক্ষতা এবং দীর্ঘদিনের সামাজিক সেবামূলক কর্মকাণ্ড জাকসুতে নতুন ধারা তৈরি করবে।






















