স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে টেকনিক্যাল মোড়ে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সের (বিইউএইচএস) শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানান তারা। স্লোগানে স্লোগানে তারা বলেন, শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা চলবে না চলবে না, ক্যাম্পাস নিয়ে ছল চাতুরি চলবে না চলবে না।
২৬ আগস্ট, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা সড়কে এসে অবস্থান নেন। সেখানে তারা আন্দোলনে তিন দফা দাবি পেশ করেছেন। দাবিগুলো হলো- সরকার থেকে লীজ প্রাপ্ত ৫.৫৭ একর জমি ২৪ ঘন্টার মধ্যে শর্তমোতাবেক বিইউএইচএস এর নামে করে দিতে হবে এবং পুরো জমি, সম্পূর্ণ দায়মুক্ত করে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতিকে বিইউএইচএস এর কাছে বুঝিয়ে দিতে হবে। এছাড়াও ইউজিসির লাল তালিকা থেকে বিইউএইচএসকে মুক্ত করতে হবে।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, স্থায়ী ক্যাম্পাস নিশ্চিত না হওয়াতে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের উপক্রম হয়েছে। গত ৩০ দিন যাবত নিজ ক্যাম্পাসে স্থায়ী ক্যাম্পাস আন্দোলনে উনার নিকট লিখিত আশ্বাসে ফলাফল না পেয়ে প্রতারিত হয়ে শিক্ষার্থীরা গত দুইদিন ক্যাম্পাসের সামনে মানববন্ধন করেছে।
বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্কার কমিশন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ও তাদের বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে অস্তিত্বহীনতায় ভুগছে। স্থায়ী ক্যাম্পাস নিশ্চিত না হওয়াতে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের উপক্রম হয়েছে।
তারা জানান, শিক্ষার্থীরা গত দুইদিন ক্যাম্পাসের সামনে মানববন্ধন করেছে। কিন্তু কোনো ফল না পেয়ে সড়কে অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস স্বাস্থ্য খাতে দেশের প্রথম এবং একমাত্র বিশেষায়িত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির উদ্যোগে ২০১২ সালের ১২ অক্টোবর মিরপুরের দারুসসালামে নিজস্ব ক্যাম্পাসে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে স্বাস্থ্য বিজ্ঞানবিষয়ক বিভিন্ন প্রোগ্রামে পাঠদান এবং গবেষণা কর্ম পরিচালিত হয়।






















