স্মার্টফোন বাজারে অপো তাদের নতুন চমক Oppo Find X9s নিয়ে আসছে। তবে অবাক করা তথ্য হলো, অপোর নিজস্ব ও প্রধান বাজার চীনে এই ফোনটি মুক্তি পাবে না। টিপস্টারদের মতে, ফোনটি বিশেষভাবে ভারত এবং গ্লোবাল মার্কেটের গ্রাহকদের চাহিদা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে।
প্রসেসর ও পারফরম্যান্স
অপো ফাইন্ড এক্স৯এস মডেলে ব্যবহার করা হতে পারে মিডিয়াটেকের নতুন Dimensity 9500s চিপসেট। এটি মূলত বর্তমান ফ্ল্যাগশিপ ‘ডাইমেনসিটি ৯৫০০’-এর একটি কিছুটা টোন-ডাউন সংস্করণ। ফলে পারফরম্যান্সের দিক থেকে এটি ফাইন্ড এক্স৯-এর তুলনায় সামান্য পিছিয়ে থাকতে পারে, যা একে একটি সাশ্রয়ী ফ্ল্যাগশিপ হিসেবে উপস্থাপন করবে।
মূল স্পেসিফিকেশন :
ডিসপ্লে: ৬.৫৯ ইঞ্চি ওলেড (OLED) ১.৫কে ডিসপ্লে, ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট।
ক্যামেরা: পেছনে তিনটি ৫০ মেগাপিক্সেলের সেন্সর (মেইন + আল্ট্রা-ওয়াইড + ৩এক্স পেরিস্কোপ টেলিফটো)। সেলফির জন্য ৩২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা।
ব্যাটারি: ৭,০২৫ mAh এর বিশাল ব্যাটারি এবং ১০০ ওয়াট দ্রুত চার্জিং। তবে এতে কোনো ওয়্যারলেস চার্জিং থাকছে না।
স্টোরেজ: ১২ জিবি র্যামের সাথে ২৫৬ বা ৫১২ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ।
চীনের জন্য আসছে ‘প্রো’ ও ‘আল্ট্রা’ ভেরিয়েন্ট
চীন ফাইন্ড এক্স৯এস না পেলেও, সেখানে মার্চ মাসে লঞ্চ হতে পারে Oppo Find X9s Pro এবং Find X9 Ultra। প্রো মডেলটি হবে একটি শক্তিশালী কমপ্যাক্ট ফোন:
ডিসপ্লে: ৬.৩ ইঞ্চি ছোট স্ক্রিন এবং আল্ট্রাসনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর।
ক্যামেরা: ২০০ মেগাপিক্সেল মেইন সেন্সর এবং ২০০ মেগাপিক্সেল পেরিস্কোপ টেলিফটো ক্যামেরা (Samsung HP5)।
প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৯৫০০ চিপসেট।
অপোর এই কৌশলের অর্থ হলো, তারা ভারতে মিড-রেঞ্জ ফ্ল্যাগশিপ বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চায়। যেখানে শাওমি বা রিয়েলমি শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী, সেখানে ফাইন্ড এক্স৯এস-এর বিশাল ব্যাটারি এবং ক্যামেরা সেটআপ ওপ্পোকে এগিয়ে রাখতে পারে। তবে চীনে ‘প্রো’ মডেলের ২০০ মেগাপিক্সেল পেরিস্কোপ লেন্সটি নিঃসন্দেহে মোবাইল ফটোগ্রাফিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।





















