এই নয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাঁচটি ইসরাইলের নেভাটিম বিমানঘাঁটিতে আঘাত হানে। এতে সি-১৩০ নামে একটি পরিবহন বিমান, একটি পুরো রানওয়ে এবং একটি খালি গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাকি চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নেগেভ বিমানঘাঁটিতে আঘাত হানে। তবে এতে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। আল জাজিরা।
অ্যারো-৩ ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর একটি নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সম্প্রতি এটি প্রথমবারের মতো মোতায়েন করা হয়। প্রধানত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার জন্য এটি তৈরি করা হয়েছে। তাই ইরানের গত শনিবারের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ছিল এর জন্য একটা পরীক্ষা।
কিন্তু সেই পরীক্ষায় পাস করতে অ্যারো-৩ যে ব্যর্থ হয়েছে, তা অনেকটা স্পষ্ট। জানা গেছে, অতি গর্বের এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে এরই মধ্যে পোস্টমর্টেম শুরু করেছে ইসরাইলি বাহিনী। যদিও সাধারণ ইসরাইলিরা প্রকাশ্যে বলছেন, নতুন এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘শতভাগ সফল’।
কিন্তু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাকি দিয়ে দুই বিমানঘাঁটি নয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের নির্ভুল আঘাত ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার সদস্যদের কপালে চিন্তার ভাজ ফেলেছে।
ইরানি হামলার পর পাল্টা হামলা চালানো হবে কি না সে ব্যাপারে এরই মধ্যে মন্ত্রিদের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন নজিরবিহীন চাপের মুখে থাকা প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। কিন্তু এ ব্যাপারে যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা দুটি প্রধান দলে ভাগ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
প্রথম দলটি হলো নেতানিয়াহুর জোট সরকারের অতি ডানপন্থী। এই দলটি ইরানে পাল্টা হামলা দেখতে চায়। অপর দলটি ইরানের বিরুদ্ধে একটি ‘বৈশ্বিক জোট’ গঠনের পক্ষে। কিন্তু তাদের কাঙিক্ষত সেই ‘বৈশ্বিক জোট’ প্রকৃতপক্ষে সম্পব বা বাস্তবসম্মত কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
যেখানে তাদের এক নম্বর মিত্র যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ইরানে ইসরাইলের পাল্টা হামলায় অংশ নেবে না মার্কিন বাহিনী। এছাড়া পাল্টা হামলা চালাতে সক্ষম হওয়ার জন্য যতটা আন্তর্জাতিক সমর্থনের প্রয়োজন, গাজায় গণহত্যার কারণে তা এই মুহূর্তে ইসরাইলের নেই।
সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে কনস্যুলেটে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে গত শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাতে ইসরাইলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে নজিরবিহীন ড্রোন ও ক্ষেপণা





















