যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যবহৃত অস্ত্র ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ভূগর্ভস্থ অস্ত্র ভাণ্ডারের কোনো ক্ষতিই করতে পারেনি বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার সামরিক বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আলেকজান্দার স্তেপানোভ।
তিনি বলেছেন, ‘আইআরজিসির ভূগর্ভস্থ ভাণ্ডারগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সব ধরনের অস্ত্রের আঘাত থেকে নিরাপদ প্রমাণিত হয়েছে।’
তিনি উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী জিবিইউ-৫৭ ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমাও ইরানের এই ভূগর্ভস্থ ভাণ্ডারে পৌঁছাতে পারে না। কারণ, এটি সর্বোচ্চ ১৮ মিটার গভীর পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম।
তিনি আরও বলেন, ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডার শক্ত পাথরের ভেতরে তৈরি, যা সামরিক দুর্গের মতোই মজবুত।
রাশিয়ান প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাকাডেমি অব ন্যাশনাল ইকোনমি অ্যান্ড পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সামরিক এই বিশেষজ্ঞের মতে, দীর্ঘদিন ধরে তৈরি এসব ভূগর্ভস্থ অস্ত্র ভাণ্ডার হয়তো পারমাণবিক অস্ত্রের আঘাত থেকেও রক্ষা পেতে পারে। এতে বোঝা যায়, ইরান ভবিষ্যতে পাল্টা হামলার জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে।
তিনি আরও মনে করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরান তাদের সামরিক শিল্প উন্নয়নের সময় বিভিন্ন ধরনের ও উন্নত সংস্করণের ক্ষেপণাস্ত্র জমা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে মাঝারি পাল্লার ‘খেইবার শেখান’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ‘ফাত্তাহ-২’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র।
আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সেসের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আলী হাজিজাদেহ জানিয়েছেন, ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে রেখেছে এবং সেগুলো মাটির প্রায় ৫০০ মিটার গভীরে সংরক্ষণ করছে।





















