ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে লক্ষ্যবস্তু করার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেছে চীন। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হুমকির মধ্যে তেহরানের পক্ষে নিজেদের অবস্থান জানালো বেইজিং।
সোমবার (৯ মার্চ) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘কোনো অজুহাতে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে চীন। ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করা উচিত।’
তিনি আরও বলেন, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগের বিষয়টি ইরানের সংবিধান অনুযায়ী দেশটির নিজস্ব সিদ্ধান্ত।
এর আগে রোববার (৮ মার্চ) রাতে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে নির্বাচিত করে দেশটির অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস।
তবে মোজতবা খামেনির নিয়োগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ‘সন্তুষ্ট নন’ বলে জানা গেছে। ফক্স নিউজের উপস্থাপক ব্রায়ান কিলমিড বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণার পর তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন। ট্রাম্প তাকে বলেছেন, ‘আমি সন্তুষ্ট নই।’
এ বিষয়ে কিলমিড আর কোনো বিস্তারিত তথ্য জানাননি। অন্যদিকে ট্রাম্প এখনো এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।
এর আগে ইসরাইলের সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরাইলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মোজতবা খামেনির নিয়োগ প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি শুধু বলেছেন, ‘দেখা যাক কী হয়’।
তবে রোববার ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা তার (ট্রাম্পের) ‘অনুমোদন’ ছাড়া বেশি দিন টিকতে পারবেন না।মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে তিনি বলেন, ‘তাকে ইরানের নতুন নেতা নির্বাচনে অবশ্যই আমাদের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। তা না হলে তিনি (নতুন নেতা) বেশি দিন টিকতে পারবেন না।
এছাড়া একইদিন ইসরাইল হুমকি দিয়ে বলেছে, ইরানে যাকেই নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করা হবে, তাকেই তারা লক্ষ্যবস্তু করবে।






















