সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্যকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করবে এবং ধারাবাহিকভাবে ইরানের নৌকা ও জাহাজগুলোকে পানি থেকে গুলি করে ধ্বংস করবে।’
ট্রাম্প দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শতভাগ সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করে দিয়েছে। তবে তিনি বলেন, ‘তারা যতই পরাজিত হোক না কেন, এই জলপথের কোথাও এক বা দুটি ড্রোন পাঠানো, মাইন ফেলা বা স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা তাদের জন্য সহজ কাজ।’
সৌদি আরবের একটি বিমানবন্দরে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি জ্বালানি বহনকারী উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত ও অকেজো হয়ে পড়ার খবরকেও তিনি ভুয়া বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘পাঁচটির মধ্যে চারটির কার্যত কোনো ক্ষতি হয়নি এবং সেগুলো ইতিমধ্যে পুনরায় সেবায় যুক্ত হয়েছে।’
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর ১ মার্চ থেকে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ওই হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এরপর থেকে এই সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে।
এর প্রতিশোধ নিতে তেহরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং মার্কিন সামরিক স্থাপনা থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর ফলে বেসামরিক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।




















