জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে গতকাল থেকে তোপের মুখে পড়ে গেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। সে বিষয়ে গণমাধ্যমের সামনে মুখ খুললেন তিনি। জানালেন, পুরো বিষয়টা ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে সবার সামনে।
আজ তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘কোনো ভাইরাল হয়নাই। এটা ইউটিউবে অনেক কিছু করা যায়। আমার সমস্ত বক্তব্যটা আপনারা তাদেরকে দিতে বলেন, এই দুইলাইন দিয়ে, নিচে দিয়ে হেডিং দিয়ে ওই ‘ফজলুর রহমান বলেছে ইউনুসকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে, ’ এইসব তো এই দেশে হইতেছে। আমার টোটাল বক্তব্যটা লাগবে, কোথায় কখন বলেছি, সেটা লাগবে।’
তিনি আরও জানিয়েছেন, যদি তার বক্তব্যে ভুল ধরিয়ে দিতে পারেন কেউ, তাহলে হাত জোড় করে ক্ষমাও চাইবেন তিনি। তার কথা, ‘আমার বক্তব্যটা সামনে এনে কেউ যদি আমাকে বুঝাইতে পারে যে এটা আপনি ভুল বলেছেন, তাহলে আমি সঙ্গে সঙ্গে হাত জোড় করে মাফ চাইব। কিন্তু পুরো বক্তব্যটা বাজাতে হবে, আমি কী বলেছি সেটা দেখতে হবে, এই ইউটিউবের একটা লাইন দিয়ে হবে না।’
সম্প্রতি একটি টকশোতে ফজলুর জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার ‘ষড়যন্ত্র’ করে আসছে জামায়াত। সে প্রসঙ্গে ৫ আগস্ট নিয়ে তিনি বলেন, ‘যারা ৫ আগস্ট ঘটাইছে, কালো শক্তি, সেই কালো শক্তির নাম হলো জামায়াতে ইসলাম, তাদের যে অগ্রগামী শক্তি তার নাম হইলো ইসলামি ছাত্রশিবির, যাকে সারজিস আলমরা, যারা ওই এইটার অভিনয় করছে, ৫ই আগস্টের অভিনেতা যারা, আমি তাদেরকে নেতা বলতে আর চাই না, তাদের আমি অভিনেতা বলব, সেই আলবদর, আল শামস, জামায়াতে ইসলাম আমরা মনে করেছিলাম ৫৪ বছর পর পূর্বপুরুষের পরাজয়ের গ্লানি তারা ভুলে গেছে, কিন্তু না সেই পরাজয়ের গ্লানি দ্বিগুণ আকারে তাদের মধ্যে এসেছে।’
এরপর থেকেই তিনি তোপের মুখে পড়ে গেছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে শোকজ নোটিসও পাঠানো হয়। যদিও সে প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, যথাসময়ে দলকে এর উত্তরটা দেবেন তিনি।



















