আরএকে সিরামিকস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) নিট লোকসান বেড়েছে ৬৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। কোম্পানিটি জানিয়েছে, উৎপাদন ও সুদ বাবদ ব্যয় বৃদ্ধির কারণে আলোচ্য সময়ে লোকসান বেড়েছে। কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুসার চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে আরএকে সিরামিকসের বিক্রি হয়েছে ৫১৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৫৩ কোটি ২ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ১৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১ কোটি ৯ লাখ টাকা। তিন প্রান্তিকে আরএকে সিরামিকসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৭৯ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে আরএকে সিরামিকসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৪৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ২৩ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে আরএকে সিরামিকস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ২৯ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে আরএকে সিরামিকস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৮৫ পয়সায়।
২০১০ সালে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আরএকে সিরামিকস মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক রাস-আল খাইমার গ্রুপের একটি যৌথ উদ্যোগ।
কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪২৭ কোটি ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৬১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪২ কোটি ৭৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭০১। এর ৭২ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬ দশমিক ৮৭, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ১৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১০ দশমিক ৮৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।






















