দেশে অবৈধ মোবাইল ফোনের বাজার এবং ৯৬ হাজার কোটি টাকার বিশাল অর্থ পাচার রোধে বিটিআরসি-র ‘ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার’ (NEIR) ব্যবস্থার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, এমবিসিবির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও টেক অ্যান্ড টক বিডির সিইও এবং প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান সোহেল নামে এক ব্যক্তি এবং তার নেতৃত্বাধীন একটি গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এনইআইআর নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের উসকে দিচ্ছে। আনিসুজ্জামান সোহেলের মতো ব্যক্তিরা সাধারণ খুচরা বিক্রেতাদের ভুল বুঝিয়ে রাস্তায় নামাচ্ছেন যাতে চোরাই ও নকল ফোনের ৯৬ হাজার কোটি টাকার বাজারটি টিকে থাকে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আনিসুজ্জামান সোহেলের এই অপপ্রচার মূলত সেই ২২ জনের শক্তিশালী সিন্ডিকেটকে সুরক্ষা দেওয়ার একটি অপচেষ্টা, যারা দেশের অবৈধ ফোনের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। জানা যায়, ‘টেক অ্যান্ড টক বিডি’সহ সুমাস টেক, অ্যাপল গেজেট ও কেআরওয়াই ইন্টারন্যাশনালের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এই সিন্ডিকেটের অংশ। এনইআইআর চালু হলে এই সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণাধীন ৯৬ হাজার কোটি টাকার ‘ভদ্রবেশী চোরাচালান’ ও বিশেষ করে ভারত থেকে আসা ৫০ শতাংশ অবৈধ ফোনের বাজার পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে—এই আতঙ্ক থেকেই সোহেল সাধারণ গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করছেন।
গুজব: এনইআইআর চালু হলে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ক্ষুণ্ণ হবে এবং কল রেকর্ড করা হবে। বাস্তবতা: প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন যে, এনইআইআর কেবল ফোনের আইএমইআই (IMEI) ডাটাবেজ। এর সাথে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত কল বা ডেটার কোনো সম্পর্ক নেই। এটি কেবল নিশ্চিত করে যে ফোনটি চোরাই পথে আসা কি না। গুজব: বিদেশ থেকে আনা উপহারের ফোন অকেজো হয়ে যাবে। বাস্তবতা: বিটিআরসির নিয়ম অনুযায়ী, একজন নাগরিক বিদেশ থেকে আনা দুটি ফোন পাসপোর্টের তথ্য দিয়ে সহজেই বিনামূল্যে নিবন্ধন করতে পারেন।




















