পছন্দের সংস্করণেও দুঃসময় পার করছে বাংলাদেশ দল। সবশেষ ১১ ম্যাচে ১০ হার। যেই ওয়ানডে সংস্করণে বরাবরই ভালো করার প্রত্যাশা থকে, সেখানে এমন দুরবস্থা মেনে নেওয়া কঠিন সমর্থকদের জন্য। গেল ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ১০ নম্বর র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান এখন দলটার।
সবশেষ আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ হারে ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নেওয়াটাও পড়েছে শঙ্কায়। দেশের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম যে সমীকরণ দেখিয়েছে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার।
সেসব সংবাদে কিছু অসঙ্গতি রয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
সেই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ১৪ অক্টোবর ২০২৫ থেকে নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দেশে ও দেশের বাইরে মোট ২৪টি ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ দল। এসময় দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও সিরিজ খেলবে মেহেদী হাসান মিরাজরা। তবে এই দুই দল বাদে র্যাঙ্কিংয়ে বাকি ৮ দলের সুযোগ থাকবে বিশ্বকাপে খেলার।
এই সময়ে বাংলাদেশ খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, এই ম্যাচগুলো আইসিসি ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রামের আওতায় দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে এবং বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে র্যাংকিংয়ের অবস্থান নির্ধারণে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। ফলে শীর্ষ আটে থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় র্যাংকিং পয়েন্ট অর্জনের পর্যাপ্ত সুযোগ থাকবে।






















