নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধনের আওতায় এসেছে।
এর ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত কোনো মোবাইল ফোনে সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া বা বিক্রির ক্ষেত্রে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।
ডি-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের সময় এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
যেভাবে করবেন ডি-রেজিস্ট্রেশন
১. সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd): এনইআইআর পোর্টালে লগইন করে ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করতে হবে। সেখান থেকে তালিকাভুক্ত ডিভাইস নির্বাচন করে ‘ডি-রেজিস্টার’ অপশনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যাবে।
২. ইউএসএসডি চ্যানেল (১৬১৬১#): মোবাইলের ডায়াল অপশনে গিয়ে *১৬১৬১# ডায়াল করতে হবে। এরপর ডি-রেজিস্ট্রেশন অপশন নির্বাচন করে নির্দেশনা অনুসরণ করলেই প্রক্রিয়া শেষ হবে।
তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক যে সিমটি ব্যবহার করছেন, সেটি অবশ্যই তার নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বরযুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশনের সময় অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর প্রদান করতে হবে।
ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসির ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসির কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।






















