প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক জালিয়াতির পদ্ধতিও ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। শুধু লিংকে ক্লিক করেই নয়, এখন সিম সোয়াপ-এর মতো কৌশল ব্যবহার করে প্রতারকরা ব্যবহারকারীর মোবাইল নম্বর হাইজ্যাক করছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সিম সোয়াপ জালিয়াতির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংক, টেলিকম এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো সবাইকে সতর্ক করছে।
কীভাবে ঘটে সিম সোয়াপ জালিয়াতি?
প্রতারকরা টেলিকম কোম্পানিকে রাজি করিয়ে ভুক্তভোগীর মোবাইল নম্বর নতুন সিমে পোর্ট করে নেয়। এরপর তারা ব্যাঙ্ক এবং অন্যান্য সেবা থেকে ওটিপি (OTP) সংগ্রহ করে পাসওয়ার্ড রিসেট, টাকা ট্রান্সফার এবং অ্যাকাউন্ট দখল করতে সক্ষম হয়।
অ্যাকাউন্ট সুরক্ষার জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টের জন্য SMS OTP-এর পরিবর্তে অ্যাপ-ভিত্তিক প্রমাণীকরণ বা হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি কী ব্যবহার করুন।
অননুমোদিত অ্যাক্সেস রোধ করতে সিমে পিন সেট করুন।
টেলিকম অপারেটরের কাছ থেকে পোর্ট-আউট লক বা নম্বর লক চেয়ে নিন।
মোবাইল নম্বরটি শুধু ব্যাংকিং ও গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবার পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবহার করুন।
জালিয়াতি ধরা পড়লে কী করবেন?
যদি হঠাৎ ফোন নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন বা ‘No Service’ দেখায়, এটিকে জরুরি অবস্থার মতো বিবেচনা করুন।
অন্য ফোন থেকে অবিলম্বে টেলিকম অপারেটর ও ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
নিরাপদ ডিভাইস থেকে ই-মেল ও ব্যাংকিং অ্যাপের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।
সাইবার ক্রাইমের অভিযোগ দায়ের করুন এবং টেলিকম ও ব্যাংকে সমস্ত নথিপত্র জমা রাখুন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সচেতনতা ও দ্রুত ব্যবস্থা নিলেই সিম সোয়াপ জালিয়াতির শিকার হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।






















