অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবসার আড়ালে হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার (মানি লন্ডারিং) এবং বিপুল পরিমাণ রাজস্ব বা ট্যাক্স ফাঁকির অভিযোগে দেশের শীর্ষ ২০ মোবাইল ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
জানা গেছে, এনইআইআর (NEIR) বাস্তবায়নের বিরোধিতার আড়ালে যারা বাজার অস্থিতিশীল করছে এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে অর্থায়ন করছে, তাদের তালিকা ধরে এই তদন্ত শুরু হয়েছে।
প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে, এই ২০ ব্যবসায়ী গত ৫ বছরে হুন্ডি এবং ওভার ইনভয়েসিং/আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে দেশ থেকে অন্তত ৫ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন।
দুদক খতিয়ে দেখছে, এই ব্যবসায়ীরা কেবল ব্যবসার আড়ালেই নয়, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরিতেও অবৈধ অর্থ ঢালছেন। অভিযোগ রয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে মোবাইল ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের নামে যে ফান্ড গঠন করা হয়েছে, তার পুরোটাই এসেছে পাচারকৃত অর্থের কমিশন থেকে। এছাড়া নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মীদের পুনর্বাসন ও সরকারবিরোধী প্রোপাগান্ডায় অর্থায়নের বিষয়টিও মানি লন্ডারিং আইনের আওতায় তদন্ত করা হচ্ছে।
তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত ২০ ব্যবসায়ীর ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করার জন্য আদালতে আবেদন করা হতে পারে বলে জানিয়েছে দুদক সূত্র।
দুদক সচিবালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “ব্যবসায়ীর মুখোশ পরে যারা দেশের টাকা বিদেশে পাচার করেছেন এবং ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে পাহাড়সমান সম্পদ গড়েছেন, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এনইআইআর ইস্যুতে বাজার অস্থিতিশীল করার নেপথ্যে তাদের কালো টাকার প্রভাব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”






















