অ্যাপল আগামী বছর নিজেদের প্রথম ভাঁজযোগ্য আইফোন আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্যামসাং ও গুগলের পর অবশেষে ফোল্ডেবলের বাজারে নামতে চলেছে কুপারটিনোভিত্তিক প্রযুক্তি জায়ান্টটি।
বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ডিভাইসটি বাজারে এলে ফোল্ডেবল ফোনের খাতে অ্যাপল সর্বোচ্চ ৩৪ শতাংশ হিস্যা দখল করতে পারে। উচ্চ দাম সত্ত্বেও ভাঁজযোগ্য ফোনের বাজারে নেতৃত্ব দিতে পারে আইফোন ফোল্ড।
বাজার গবেষণা সংস্থা আইডিসির তথ্য অনুযায়ী, প্রথম বছরেই আইফোন ফোল্ড বিশ্বব্যাপী ভাঁজযোগ্য ফোনের মোট বিক্রির ২২ শতাংশের বেশি এবং আয়ের ক্ষেত্রে পুরো বাজারের ৩৪ শতাংশ দখল করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, ডিভাইসটির সম্ভাব্য দাম প্রায় ২ হাজার ৪০০ ডলার হতে পারে যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৩ লাখ টাকার কাছাকাছি। অন্যদিকে স্যামসাং গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ৭-এর দাম ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা থেকে শুরু।
ভাঁজযোগ্য খাতে অ্যাপলের প্রবেশকে স্মার্টফোন বাজারের জন্য বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে বাজারের গতি বাড়বে এবং প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা আরো জোরালো হবে। পাশাপাশি অ্যাপলের কারণে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক ফোল্ডেবল ফোনের বাজার ৩০ শতাংশ বাড়তে পারে যা আগের ৬ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস থেকে অনেক বেশি।
তবে এ প্রবৃদ্ধিতে একাধিক বড় ব্র্যান্ডের আসন্ন উন্মোচনগুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মধ্যে আছে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি জেড ট্রাইফোল্ড ও হুয়াওয়ের নতুন কিছু মডেল।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, আগামী বছরের শেষদিকে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজের সঙ্গে অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন উন্মোচন হতে পারে। ডিভাইসটি বইয়ের মতো ভেতরের দিকে ভাঁজ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে বাইরে থাকবে ৫ দশমিক ৫ ইঞ্চির ডিসপ্লে আর ভাঁজ খুললে দেখা যাবে ৭ দশমিক ৮ ইঞ্চির বড় অভ্যন্তরীণ ডিসপ্লে।
আইফোন ফোল্ডে থাকতে পারে একাধিক আধুনিক ফিচার। যেমন আন্ডার-ডিসপ্লে সেলফি ক্যামেরা এবং ভাঁজের দাগ কমাতে বিশেষ হিঞ্জ প্রযুক্তি। ডিভাইসটিতে ব্যবহার হতে পারে অ্যাপলের আসন্ন এ২০ প্রো চিপসেট। এছাড়া ফোনটিতে কমপক্ষে ৫ হাজার ৪০০ এমএএইচ ব্যাটারি দেয়ারও গুঞ্জন রয়েছে।





















