ভবিষ্যৎ অপরাধ জগতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে সাইবার ক্রাইম বা ডিজিটাল অপরাধ। আর এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (NEIR) বা মোবাইল ফোনের নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ডিআইজি আবুল বাশার তালুকদার।
সাইবার অপরাধের নতুন চ্যালেঞ্জ
সম্প্রতি এক আলোচনায় ডিআইজি আবুল বাশার তালুকদার বলেন, “সামনের দিনে আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে সাইবার ক্রাইম।” বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রতারণা, হুমকি এবং বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের হার বাড়ছে। অপরাধীরা প্রায়ই অবৈধ বা অনিবন্ধিত মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে পার পেয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
এনইআইআর-এর ভূমিকা
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এনইআইআর সিস্টেম চালু হলে এই ধরনের চ্যালেঞ্জ অনেক অংশে কমে আসবে। ডিআইজি বাশারের মতে:
সহজ শনাক্তকরণ: মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংঘটিত যেকোনো অপরাধের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটটি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
পরিচয় নিশ্চিতকরণ: সিম কার্ডের পাশাপাশি হ্যান্ডসেটটিও নিবন্ধিত থাকায় অপরাধীর অবস্থান ও পরিচয় শনাক্ত করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য সহজ হবে।
অবৈধ হ্যান্ডসেট রোধ: অনিবন্ধিত বা চোরাই পথে আসা মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে কাজ করবে না বলে অপরাধীদের কার্যক্রম সীমিত হয়ে আসবে।
নিরাপদ ডিজিটাল বাংলাদেশ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের মতে, এনইআইআর ব্যবস্থা কেবল রাজস্ব আদায়ের জন্য নয়, বরং জনগণের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য একটি অপরিহার্য পরিকাঠামো। এটি কার্যকর হলে মোবাইল ছিনতাই ও চুরি হওয়ার প্রবণতাও হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।





















