অ্যাপল এখনো ফোল্ডেবল ফোনের বাজারে প্রবেশ করেনি। তবে তার আগেই কোম্পানিটি ভবিষ্যতের মডেল নিয়ে পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন অ্যাপল বিশেষজ্ঞ মার্ক গুরম্যান। তার তথ্যানুযায়ী, প্রথম ফোল্ডেবল ফোনের পর একটি ছোট ক্ল্যামশেল ডিজাইনের আইফোন আসতে পারে।
টিপস্টার ও অ্যাপল বিশেষজ্ঞদের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বেশ কয়েক মাস ধরেই বলছে, অ্যাপল শিগগিরই ফোল্ডেবল বাজারে আসতে যাচ্ছে। অনেকেই একে ‘আইফোন ফোল্ড’ নামে ডাকছে।
মার্ক গুরম্যান জানিয়েছেন, আইফোন ফোল্ড বাজারে আনতে অ্যাপলের এখনো কয়েক মাস সময় লাগবে। তবে এর মধ্যেই অ্যাপলের ল্যাবগুলো আরেকটি ফোল্ডেবল ডিভাইস নিয়ে কাজ করছে। পরবর্তী ডিভাইসটি হতে পারে ছোট, বর্গাকার, ক্ল্যামশেল ধরনের একটি আইফোন।
তিনি বলছেন, ‘ডিভাইসটি তৈরির ভাবনা এসেছে সাধারণ গ্রাহক চাহিদার দিকটি মাথায় রেখে। প্রথম আইফোন ফোল্ড সফল হলে ফোল্ডেবল ফোনের প্রতি আগ্রহ বাড়তে পারে। তখন ভিন্ন ডিজাইন ও আকারের ফোল্ডেবল আইফোন খুঁজতে পারেন ক্রেতারা।’
মার্ক গুরম্যান আরো বলেন, ‘অ্যাপল শুধু ছোট আকারের দিকেই এগোবে এমন নয়। বরং বইয়ের মতো ভাঁজ করা একটি বড় ফোল্ডেবল আইফোনও আনার কথা ভাবতে পারে কোম্পানিটি, যা আকারে স্যামসাংয়ের কিছু মডেলের কাছাকাছি হতে পারে।’
সাম্প্রতিক গুঞ্জন বলছে, প্রথম আইফোন ফোল্ড হবে ‘বুক স্টাইল’ বা বইয়ের মতো ডিজাইনের। অর্থাৎ মাঝ বরাবর ভাঁজ করা যাবে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজের সঙ্গে নতুন ফোনটি উন্মোচন করা হতে পারে।
আরো জানা গেছে, অ্যাপলের এ ফোল্ডেবল আইফোনে ‘ক্রিসলেস ডিসপ্লে’ থাকবে। অর্থাৎ স্ক্রিনে কোনো ভাঁজরেখা দেখা যাবে না। এজন্য স্যামসাংয়ের দ্বারস্থ হতে পারে টেক জায়ান্টটি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইফোন ফোল্ডে বাইরে ৫ দশমিক ৫ ইঞ্চি এবং ভেতরে ৭ দশমিক ৮ ইঞ্চির ডিসপ্লে থাকতে পারে। এছাড়া ভেতরের স্ক্রিনের প্রযুক্তি সরবরাহ করতে পারে স্যামসাং, তবে হিঞ্জ, লেমিনেশন ও প্যানেলের কাঠামো ডিজাইন করবে অ্যাপল।





















