২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ৬৯ কোটি ৮০ লাখ ভুয়া অ্যাকাউন্ট সরিয়ে নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। এর আগের প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) এ সংখ্যা ছিল ৬৮ কোটি ৭০ লাখ। প্লাটফর্মটির প্যারেন্ট কোম্পানি মেটার ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্টে সম্প্রতি এ তথ্য উঠে এসেছে।
মেটার তথ্যানুযায়ী, ভুয়া প্রোফাইল বা অ্যাকাউন্ট সরানোর ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ডটি ছিল ২০১৯ সালের প্রথম প্রান্তিকে। সে সময় মেটা প্রায় ২২০ কোটি ভুয়া প্রোফাইল তাদের প্লাটফর্ম থেকে মুছে দিয়েছিল।
ভুয়া অ্যাকাউন্টের একটি সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে মেটা। প্রতিষ্ঠানটির মতে, কোনো অসাধু উদ্দেশ্যে তৈরি প্রোফাইল কিংবা কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা মানুষ নয় এমন সত্তার (যেমন বট) প্রতিনিধিত্বকারী অ্যাকাউন্টগুলোকেই ‘ভুয়া অ্যাকাউন্ট’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হওয়ায় ফেসবুক প্রতিনিয়ত নানা অপতৎপরতা ও ক্ষতিকর কনটেন্টের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে।
ফেসবুকের জন্য একটি বড় ও চলমান চ্যালেঞ্জ হলো ‘স্প্যাম’ বা অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্ট। মেটার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, কেবল ২০২২ সালের তৃতীয় প্রান্তিক বা জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসেই ১৪ লাখ স্প্যাম কনটেন্ট নেটওয়ার্ক থেকে সরানো হয়েছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে এসব ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও স্প্যামের সংখ্যা বাড়ছে।
বর্তমানে ৩০০ কোটির বেশি ব্যবহারকারী নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ সামাজিক নেটওয়ার্ক ফেসবুক। ২০১৪ সালে প্লাটফর্মটির মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী ছিল প্রায় ১৪০ কোটি। গত এক দশকে ফেসবুক ব্যবহারকারী বেড়েছে ১২০ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
পাশাপাশি গত বছরের প্রথম ছয় মাসে হোয়াটসঅ্যাপ থেকে বিশ্বজুড়ে ৬৮ লাখ ভুয়া ও প্রতারণামূলক অ্যাকাউন্ট সরিয়েছে মেটা।






















