বাড়িতে এয়ারকন্ডিশনার (এসি) বা গাড়িসহ বিলাসবহুল সম্পদের মালিক হলে সেই পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে না। এ ছাড়া পরিবারে কেউ সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকলেও তাঁরা কার্ড পাবেন না। আগামী ১০ মার্চ থেকে তিন মাসের জন্য পাইলট কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর প্রতি মাসে ধাপে ধাপে নতুন এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী চার বছরে চার কোটি পরিবারকে এই কার্ড দেওয়া হবে।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম ঘোষণা ফ্যামিলি কার্ড। যা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পরই কমিটি করেন তারেক রহমান। এরই মধ্যে কার্ড বিতরণের নীতিমালা চূড়ান্ত হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে এই ভাতা সরাসরি পরিবারের ‘মা’ বা ‘প্রধান নারী’ সদস্যের নামে হবে। সরকারি কোষাগার থেকে কার্ডের টাকা সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক কার্ড নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুতই পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। আশা করি, খুব দ্রুতই কার্ড বিতরণ শুরু হবে।’
ফ্যামিলি কার্ড পাবেন কারা, সরকারের খরচ কত?ফ্যামিলি কার্ড পাবেন কারা, সরকারের খরচ কত?
পরিবারের কেউ সরকারের পেনশনভোগী, বাড়িতে এসি ব্যবহারকারী, পরিবারের সদস্য সরকারি চাকরিজীবী, বাণিজ্যিক লাইসেন্স বা বড় ব্যবসা থাকলে সেই পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে না। হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত—এই তিন শ্রেণির পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড।
কার্ডের সুবিধাভোগী নারী বাছাইয়ে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার। খানা জরিপ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ডেটাবেজ থেকে কার্ডের জন্য নারী নির্বাচিত হবেন।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘এটার মধ্যে ওই পরিবারের সব তথ্য থাকবে। এটা একদম হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত—এই তিনটা টায়ারকে প্রথম ইউনিভার্সালি কাভার করা হবে।’
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলার একটি করে ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে কার্ড দেওয়া হবে। প্রতিটি পরিবার মাসে পাবে আড়াই হাজার টাকা।






















