স্মার্টফোন জগতে ওয়ানপ্লাস ১৫টি (OnePlus 15T)-কে ঘিরে অনেক জল্পনা থাকলেও, এর সাম্প্রতিক ক্যামেরা লিকগুলো ব্যবহারকারীদের কিছুটা নিরাশ করতে পারে। টিপস্টার ‘老陈Air’-এর মতে, ওয়ানপ্লাস তাদের আসন্ন এই কমপ্যাক্ট ফ্ল্যাগশিপটিতে বড় কোনো হার্ডওয়্যার চমক রাখছে না, বরং এটি অনেকাংশেই গত বছরের ওয়ানপ্লাস ১৩টি-র ক্যামেরার অনুলিপি হতে যাচ্ছে।
ক্যামেরা ডিটেইলস: যা নিয়ে বিতর্ক
মেইন সেন্সর: সনি-র LYTIA 700 (১/১.৫৬ ইঞ্চি)। এটি গত বছরের ১৩টি-তে থাকা IMX 906-এর প্রায় সমতুল্য।
টেলিফটো: স্যামসাং ISOCELL JN5 (১/২.৭৬ ইঞ্চি)। এখানে ভয়ের কারণ হলো, লেন্সের অ্যাপারচার ১৩টি-র (f/2.0) তুলনায় এবার আরও সংকীর্ণ (f/2.8) হতে পারে।
আল্ট্রাওয়াইড গায়েব: আবারও দেখা যাচ্ছে কোনো আল্ট্রাওয়াইড লেন্স নেই, যা অনেক ব্যবহারকারীর কাছে বহুমুখীতার অভাব হিসেবে মনে হতে পারে।
ক্যামেরা হতাশ করলেও অন্যখানে দারুণ চমক!
ক্যামেরা সেকশনে ওয়ানপ্লাস ‘সেফ’ খেললেও, পারফরম্যান্সের দিক থেকে এটি একটি সত্যিকারের দানব হতে যাচ্ছে:
ডিসপ্লে: ৬.৩১ ইঞ্চি OLED প্যানেল, যার রেজোলিউশন ১.৫কে এবং রিফ্রেশ রেট ১৬৫ হার্টজ।
প্রসেসর: কোয়ালকমের সর্বশেষ Snapdragon 8 Elite Gen 5 চিপসেট।
ব্যাটারি ও চার্জিং: ফোনটির সবচেয়ে বড় শক্তি এর ৭,৫০০ mAh ব্যাটারি এবং ১০০ ওয়াট বা ১২০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং। একটি কমপ্যাক্ট ফোনে এত বড় ব্যাটারি সত্যিই প্রকৌশলবিদ্যার এক অনন্য নিদর্শন।
ওয়ানপ্লাস ১৫টি (OnePlus 15T) হতে যাচ্ছে মূলত সেইসব গেমার এবং মাল্টি-টাস্কারদের জন্য যারা এক হাতে আরামদায়ক ফোন ব্যবহারের পাশাপাশি শক্তিশালী পারফরম্যান্স চান। ক্যামেরাটি এখানে প্রফেশনাল লেভেলের হওয়ার চেয়ে কেবল দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে ওয়ানপ্লাসের নতুন DetailMax Engine নামক কম্পিউটেশনাল অ্যালগরিদম সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের মাধ্যমে ছবির মান কতটা উন্নত করতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।






















