২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী ওয়্যারেবল ডিভাইসের সরবরাহ দুই কোটি ইউনিট ছাড়িয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ বেড়েছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওমডিয়ার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর মোট বিক্রির ১৮ শতাংশ হিস্যা শাওমির দখলে ছিল। অন্যদিকে অ্যাপলের বাজার হিস্যা ১৭ শতাংশ ও হুয়াওয়ের ১৬ শতাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। বর্তমানে শীর্ষ তিন কোম্পানির মধ্যে বাজার হিস্যার ব্যবধান ১ শতাংশেরও কম। এদিকে স্যামসাং ও গারমিন যথাক্রমে ৯ ও ৫ শতাংশ হিস্যা দখল করেছে।
ওমডিয়ার গবেষণা পরিচালক সিনথিয়া চেন জানিয়েছেন, ওয়্যারেবল বাজারের প্রতিযোগিতা এখন আর কেবল ডিসপ্লে, সেন্সর বা ব্যাটারি লাইফের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে ব্যবহারকারীরা ডিভাইসের ইকোসিস্টেমের শক্তি বিবেচনা করছেন। ফোন, ট্যাবলেট, গাড়ি ও স্মার্ট হোম ডিভাইসের মধ্যে যার সমন্বয় যত ভালো, সে ব্র্যান্ডের গ্রাহক তত দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।
শাওমির এ প্রত্যাবর্তনের পেছনে তাদের ‘মি ব্যান্ড’ সিরিজের সাশ্রয়ী জনপ্রিয়তা ও এন্ট্রি-লেভেল স্মার্টওয়াচগুলোর বড় ভূমিকা রয়েছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির ‘হিউম্যান × কার × হোম’ কৌশল ওয়্যারেবল ডিভাইসগুলোকে তাদের বিস্তৃত ইকোসিস্টেমের সঙ্গে আরো নিবিড়ভাবে সমন্বয় করেছে।
অন্যদিকে অ্যাপল এখনো প্রিমিয়াম সেগমেন্টে আধিপত্য বজায় রাখছে। আইফোনের সঙ্গে উন্নত সমন্বয়, প্রিমিয়াম নির্মাণ মান ও স্বাস্থ্য ফিচারের সম্প্রসারণ এটিকে এগিয়ে রাখছে। হুয়াওয়েও চীনে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে, পেশাদার স্পোর্টস ট্র্যাকিং ও স্বাস্থ্য সরঞ্জামের ওপর মনোযোগ বাড়াচ্ছে।
স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে এটি ধীরে ধীরে শুধু স্টেপ কাউন্ট ও হার্ট রেট থেকে উন্নত পরিমাপের দিকে যাচ্ছে। অনেক ব্র্যান্ড এখন ২৪ ঘণ্টা ব্যবহারের সুবিধার্থে আরো হালকা ও সরল নকশার কাজ করছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চলতি বছর বাজার হিস্যায় সামান্য ব্যবধানের কারণে শাওমি, অ্যাপল ও হুয়াওয়ের মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে আবারো বড় পরিবর্তন আনতে পারে।






















