চীনে একাধিক জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের পাওয়ার ব্যাংক থেকে আগুন লাগার অভিযোগের পর ফ্লাইট নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় কড়াকড়ি আরোপ করেছে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশ। খবর নিক্কেই এশিয়া।
চলতি বছরের জুনে ইলেকট্রনিকস নির্মাতা আনকার ইনোভেশনস ও শেনজেনভিত্তিক রোমস টেকনোলজি ১২ লাখ পাওয়ার ব্যাংক বাজার থেকে উঠিয়ে নেয়। প্রতিষ্ঠান দুটি জানায়, উচ্চ তাপমাত্রায় এসব ডিভাইস অতিরিক্ত গরম হয়ে আগুন ধরিয়ে দিতে পারে।
এ ঘটনার পর চীনের সিভিল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ২৮ জুন থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ৩সি (চায়না কম্পালসরি সার্টিফিকেশন) ছাড়া কোনো পাওয়ার ব্যাংক বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
এর আগে ৩১ মে হাংজু থেকে ছেড়ে যাওয়া এক ফ্লাইটে ক্যামেরায় ব্যবহৃত একটি পাওয়ার ব্যাংক থেকে আগুন লাগলে বিমানটি মাঝপথে ফিরে আসে।
সোমবার পর্যন্ত চীনের ই-কমার্স প্লাটফর্ম টাওবাও ও জেডি ডটকম থেকে রোমস ব্র্যান্ডের সব পাওয়ার ব্যাংক সরিয়ে ফেলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে উৎপাদন কার্যক্রমও বন্ধ করেছে। গ্রাহকদের অনেকে অভিযোগ করেছেন, টাকা ফেরত পেতে তাদের দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
পাওয়ার ব্যাংক থেকে আগুন লাগার ঘটনা শুধু চীনেই নয়। জানুয়ারিতে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি ফ্লাইটেও এমন ঘটনা ঘটে।
এ অবস্থায় জাপানের সব এয়ারলাইনস চলতি সপ্তাহ থেকে নতুন নিয়ম চালু করেছে। এখন থেকে যাত্রীরা পাওয়ার ব্যাংক ওভারহেড কম্পার্টমেন্টে রাখতে পারবেন না। এছাড়া চার্জ দেয়ার সময়ও নির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এর আগে মার্চে দক্ষিণ কোরিয়াও একই ধরনের নির্দেশনা জারি করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতে আরো কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।






















