সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গত সপ্তাহে নেপালে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজধানী কাঠমান্ডুসহ অন্তত সাতটি শহরে প্রতিবাদ সংগঠিত ও শক্তিশালী করতে প্রযুক্তিকে মূল হারিয়ার বানিয়েছেন জেন জির তরুণ নেপালিরা।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, নেপালের তিন কোটির মধ্যে অর্ধেকের বেশি মানুষ এ সময় অনলাইনে সক্রিয় ছিল। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রোটন ভিপিএন জানিয়েছে, তিনদিনের মধ্যে নেপাল থেকে তাদের সাইন আপ ছয় হাজার শতাংশ বেড়েছে। অনেক প্রতিবাদকারী আলোচনার জন্য একটি সার্ভারে ১ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি সদস্য মিলিত হয়ে মার্কিন গ্রুপ চ্যাট অ্যাপ ডিসকোর্ড ব্যবহার করেছে। পাশাপাশি নিরাপদ যোগাযোগের জন্য ডাউনলোড করেছে বিটচ্যাট অ্যাপ, যার মাধ্যমে ইন্টারনেট ছাড়াই ব্লুটুথের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়। প্রযুক্তি এ প্রতিবাদের ক্ষেত্রে প্রায় মূল ভূমিকা পালন করেছে বলে জানিয়েছেন সাংবাদিক প্রণয় রানা। তিনি জানান, সবকিছু শুরু হয়েছিল তরুণদের সোশ্যাল মিডিয়ায় দুর্নীতি ও রাজনীতিকদের সন্তানদের বিলাসবহুল জীবনযাপন তুলে ধরার মাধ্যমে, যা ব্যাপক জনরোষ সৃষ্টি করে।
উল্লেখ্য, তরুণ জেন-জির বিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির পদত্যাগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান নির্বাচনের পর গতকাল অনেকটাই শান্ত হয়ে এসেছে নেপাল।






















