এসি এখন আর বিলাসী পণ্য হিসেবে দেখা হয় না, বরং দৈনন্দিন জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ। বর্তমানে এসি ছাড়া জীবনযাপনও কঠিন হয়ে গেছে! ঘর কিংবা অফিস, সবখানেই এসির ব্যবহার বাড়ছে। তবে কখনো কখনো এই ইলেকট্রনিক যন্ত্রটিই যেন বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
ইদানিংকালে প্রায়ই এসি বিস্ফোরণের খবর শোনা যায়। বাসা কিংবা অফিসে হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়ে দাউদাউ করে জ্বলে উঠছে ইলেকট্রনিক যন্ত্রটি।
এবার তেমনই এক ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধলপুরে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাত দেড়টার দিকে ‘ভিশন’ ব্র্যান্ডের এসি বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জন অগ্নিদগ্ধ হয়েছে।
জানা যায়, অগ্নিদগ্ধ তুহিন হোসেন ও তাঁর স্ত্রী ইভা আক্তার দুই সন্তানকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ ‘ভিশন’এসি বিস্ফোরিত হয়ে ঘরে আগুন ধরে যায়। এতে দগ্ধরা হন- মো. তুহিন হোসেন, তাঁর স্ত্রী ইবা আক্তার এবং দুই সন্তান তাওহীদ ও তানভীর।
দগ্ধদের আশপাশের ভাড়াটিয়ারা উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন। চারজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানান চিকিৎসকেরা।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর ভাই বলেন, এসিটা মধ্যরাতে বোমের মতো বিস্ফোরণ হয়। এরপরে সারাঘরে আগুন ধরে যায়।
তিনি আরও বলেন, এসিটি ১৫ দিন আগেও সার্ভিসিং করা হয়েছিল। তারপরেও এই দুর্ঘটনা ঘটায় বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেন তিনি।
ভিশনের এসি বিস্ফোরনের বিষয়ে জানতে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার- পাবলিক রিলেশন তৌহিদুজ্জামানের ফোনে একাধিকবার ফোন করেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এবং তাকে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, বিস্ফোরিত এয়ার কন্ডিশনারটি দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘আরএঅএল ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের ‘ভিশন’ ব্র্যান্ডের এসি।






















