আজকের যুগে স্মার্টফোন বেশির ভাগ মানুষেরই দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। ডিভাইসটি সহজলভ্য ও হাতের নাগালে চলে আসায় এর ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। গবেষণা দেখিয়েছে, নিয়মিত স্মার্টফোন ব্যবহার ঘুম, কর্মদক্ষতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি শুধু স্মার্টফোনের কাছাকাছি থাকা থেকেও মস্তিষ্কে প্রভাব পড়তে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ের কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, স্মার্টফোন থেকে দূরে থাকার পথ বেছে নিচ্ছে অনেকে। কেউ কেউ এটি করছে সুস্থতা ও মানসিক শান্তির জন্য, কেউ তথ্যনিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন, আবার কেউ চাইছে নিরবচ্ছিন্ন অনলাইনের চাপ থেকে মুক্তি পেতে। এক্ষেত্রে অনেকেই সমাধান হিসেবে বেছে নিচ্ছে ‘ডামফোন’ বা ফিচার ফোনকে।
প্রতিবেদন বলছে, এরই মধ্যে ডামফোন বা ফিচার ফোন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। উন্নত দেশগুলোর বাজারে বিশেষ কিছু নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্রিমিয়াম ধরনের ডামফোন ও ফিচার ফোন তৈরি করছে।
কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের সিনিয়র বিশ্লেষক ইয়াং ওয়াং বলেন, ‘ফিচার ফোনের বাজার এখনো অনেক বড় এবং এটি বেশ ধীরে ধীরে কমছে। গত বছর প্রায় ১৫ শতাংশ বিক্রি হওয়া হ্যান্ডসেট ছিল ফিচার ফোন।’
যেখানে স্মার্টফোনের ওপর মানুষের নির্ভরতা ক্রমেই বাড়ছে, সেখানে ও সীমিত সুবিধার ফিচারে ফোনের প্রতি আগ্রহও একটি নতুন প্রবণতা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন, মানুষ এখন অনলাইন ও প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাস্তব জীবনের অন্যান্য দিকের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে চাইছে। তারা প্রযুক্তি ও সবসময় অনলাইনে সংযুক্ত থাকার চাপের বিরুদ্ধে এক ধরনের ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।






















