আইফোন ১৭ সিরিজের উচ্চ চাহিদার কল্যাণে শেয়ার বাজারে ৪ ট্রিলিয়ন ডলার বাজারমূল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। গতকাল সোমবার তাঁদের শেয়ারদর ৪ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে রেকর্ড ৩ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।
বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকা ও চীনের বাজারে প্রথম ১০ দিনে আইফোন ১৭ সিরিজ পূর্ববর্তী আইফোন ১৬ সিরিজের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি বিক্রি হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে সোমবার অ্যাপলের শেয়ারদর ৪ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৩ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়। উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদন তৈরির সময় (মঙ্গলবার) অ্যাপলের বাজারমূল্য ছিল ৩ দশমিক ৯১ ট্রিলিয়ন ডলার। বর্তমানে সারা বিশ্বে তাঁদের চেয়ে এগিয়ে আছে কেবল এনভিডিয়া, যাদের বাজারমূল্য ৪ দশমিক ৪৫ ট্রিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, এনভিডিয়ার পর অ্যাপল এখন বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান প্রতিষ্ঠান।
চলতি প্রান্তিকে অ্যাপলের আয় বিশ্লেষকদের পূর্বাভাষকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছে বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান এভারকোর আইএসআই।
এভারকোর-এর বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন যে, চীনে সম্প্রতি অনলাইন বিক্রি শুরু হওয়ায় এটি ডিসেম্বর প্রান্তিকের বিক্রিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কেননা প্রাথমিকভাবে পণ্য ডেলিভারির সময় সম্পর্কিত তথ্য দেখে বোঝা যাচ্ছে যে, অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় চীনে আইফোনের উচ্চ চাহিদা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মাসেই আলট্রা স্লিম বা অতি পাতলা ডিজাইনের আইফোন এয়ারসহ ৪টি মডেলে সমৃদ্ধ আইফোন ১৭ সিরিজ নিয়ে হাজির হয় অ্যাপল। মার্কিন শুল্কের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও নতুন আইফোনের দাম স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয় তাঁরা। ফলে একই দামে উন্নত ফিচারের নতুন আইফোন সহজেই আকৃষ্ট করছে আইফোনপ্রেমীদের।
চলতি বছরের শুরুর দিকে ট্রাম্পের পালটা শুল্ক আরোপের ঘোষণা এলে চীন ও ভারতে আইফোনের উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। ব্যয় বৃদ্ধি পেলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বিক্রিতে- বিনিয়োগকারীদের মাঝে এমন ধারণা তৈরি হলে শেয়ার বাজারে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয় অ্যাপল। তবে আইফোন ১৭ বাজারে আসার পর থেকে তাঁদের শেয়ার দর বাড়তে শুরু করেছে।





















