২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আইটি-সংক্রান্ত কাজগুলো কোনো না কোনোভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সঙ্গে যুক্ত থাকবে। আগামী পাঁচ বছরে মানুষ কোনো কাজ একা করবে না। প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজে এআই টুল ব্যবহার হবে। বাকি ২৫ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণরূপে করবে এআই প্রযুক্তি। গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গার্টনারের সাম্প্রতিক পূর্বাভাসে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সংস্থাটির বিশ্লেষকরা বলছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কেবল এআই প্রযুক্তি তৈরি ও ব্যবহারের দিকে মনোযোগ দিলেই চলবে না; বরং নিজেদের কর্মীদেরও প্রস্তুত করা প্রয়োজন। মানুষ ও এআই একসঙ্গে কাজ করার মতো পরিবেশ তৈরি করতে হবে। এতে এআই ব্যবহারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সুবিধা ও ফল পাওয়া সম্ভব হবে।
গার্টনারের বিশ্লেষক এলিসিয়া মুলারি বলেন, ‘এআই এখনো পুরোপুরি কার্যকর নয়। পাশাপাশি এ প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে মানুষের প্রস্তুতি আরো কম। কর্মীরা এখনো এআইকে সম্পূর্ণভাবে কাজে লাগাতে পারছে না। ফলে সম্ভাব্য সুবিধার একটি বড় অংশ হাতছাড়া হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এআইয়ের প্রস্তুতি বলতে বোঝানো হচ্ছে প্রযুক্তিটি কতটা শক্তিশালী এবং সক্ষম। এটি নির্দিষ্ট কাজে ব্যবহার করে প্রকৃত অর্থে সুবিধা তৈরি করতে পারছে কিনা। অন্যদিকে মানব প্রস্তুতি বলতে বোঝানো হচ্ছে, আপনার প্রতিষ্ঠান ও কর্মীরা কতটা প্রস্তুত। তারা এআই থেকে পাওয়া সুবিধাগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে কিনা এবং দীর্ঘ সময় ধরে তা বজায় রাখতে পারে কিনা।’
গার্টনারের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা উন্নয়ন পরিকল্পনা কেবল নতুন দক্ষতা শেখানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা মানুষের নিজস্ব দক্ষতা কমিয়ে দিতে পারে, তাই নিয়মিত চর্চা ও পরীক্ষাও জরুরি।





















