আইনজীবী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে পড়াশোনা করছেন মার্কিন তারকা কিম কার্দাশিয়ান। কিন্তু তার পথে বিঘ্ন ঘটিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কিম নিজের সঙ্গে প্রযুক্তির এই সম্পর্ককে ‘টক্সিক বন্ধুত্ব’ বা ‘ফ্রেনেমি’ বলে অবহিত করেছেন।
‘ফ্রেন্ড’ ও ‘এনেমি’ এর মিশ্রণে তৈরি ‘ফ্রেনেমি’ হলো সেই সম্পর্ক, যেখানে বন্ধুত্ব থাকার পরেও পরস্পরের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অবিশ্বাস বজায় থাকে।
কিম কার্দাশিয়ান জানান, আইন পড়ার সময় জটিল কোনো প্রশ্নের উত্তর জানতে তিনি চ্যাটজিপিটির সাহায্য নেন। প্রয়োজনীয় প্রশ্নের ছবি তুলে চ্যাটবটে দেন। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই চ্যাটজিপিটি ভুল পরামর্শ দেয়। কিম বলেন, এসব ভুল পরামর্শের কারণেই তিনি একাধিক আইন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চ্যাটজিপিটির এ ভুল তথ্য দেয়ার প্রবণতাকে বলা হয় ‘হ্যালুসিনেশন’। অর্থাৎ যখন চ্যাটজিপিটি যখন কোনো প্রশ্নের উত্তর নিশ্চিতভাবে জানে না, তখন বিপুল ডেটা বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য উত্তর অনুমান করে দেয়, যা অনেক সময় বাস্তবে ভুল হয়।
চ্যাটজিপিটির ভুলে বারবার হতাশ হলেও কিম প্রায়ই এর সঙ্গে কথোপকথন চালিয়ে যান। তিনি বলেন, ‘তুমি আমাকে ফেল করাচ্ছ, এটা জেনে তোমার কেমন লাগছে? তোমার তো এগুলো জানা উচিত।’ উত্তরে চ্যাটজিপিটি জানিয়েছে, সে কিমকে নিজের প্রবৃত্তির ওপর বিশ্বাস করতে শেখাচ্ছে।
এই পুরো অভিজ্ঞতা কিম কার্দাশিয়ান মজা হিসেবে নিয়েছেন। তিনি এআইয়ের সঙ্গে তার কথোপকথনের স্ক্রিনশট তুলে বন্ধুদের সঙ্গেও শেয়ার করেছেন।





















